ঢাকা, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ওষুধ ছাড়াই কোলেস্টেরল কমাতে চান, আজই বদলান এই অভ্যাসগুলো

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০১ ১৫:৩৮:১০

ওষুধ ছাড়াই কোলেস্টেরল কমাতে চান, আজই বদলান এই অভ্যাসগুলো

বর্তমানে অনেকেই উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন, যা নীরবে হৃদরোগসহ নানা জটিলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কোলেস্টেরল একটি মোমজাতীয় পদার্থ, যা রক্তনালিতে জমে ধমনিকে সংকুচিত করে ফেলতে পারে। তাই সুস্থ থাকতে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের প্রথম ধাপ হলো খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা। ফাস্ট ফুড ও অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবারে থাকা ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে ঘি, মাখন ও অতিরিক্ত তেল ব্যবহার কমিয়ে আনাও প্রয়োজন।

রেড মিট বা লাল মাংস খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা সীমিত করা ভালো। কারণ এসব খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে, যা খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল বাড়াতে সহায়ক। পাশাপাশি কিছুদিনের জন্য মাছের তেল বা মাছের ডিম থেকেও দূরে থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

কোলেস্টেরল কমাতে খাদ্যতালিকায় শাকসবজি ও ফলের পরিমাণ বাড়ানো অত্যন্ত কার্যকর। এসব খাবারে থাকা ফাইবার অন্ত্রে কোলেস্টেরল শোষণ কমিয়ে দেয় এবং শরীর থেকে তা বের করে দিতে সাহায্য করে। নিয়মিত ফল ও সবজি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

নিয়মিত ব্যায়ামও কোলেস্টেরল কমানোর অন্যতম উপায়। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, দৌড়ানো বা হালকা ব্যায়াম করলে খারাপ কোলেস্টেরল কমে এবং ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়ে। তাই ব্যায়ামকে দৈনন্দিন রুটিনের অংশ করে নেওয়া জরুরি।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ খেলে তা নিজে থেকে বন্ধ করা উচিত নয়। নিয়মিত ওষুধ সেবন কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপদ ও কার্যকর বলে জানান চিকিৎসকেরা।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললেই কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং সুস্থ জীবনযাপন করা সহজ হয়।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

লাইফস্টাইল এর অন্যান্য সংবাদ