ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বড় সুখবর বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য

২০২৬ মার্চ ২০ ১৭:০৬:২৪

বড় সুখবর বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য

দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলা স্থবিরতা কাটতে যাচ্ছে—এমনই ইঙ্গিত মিলছে দলীয় সূত্রে। আসন্ন ঈদুল ফিতর-এর পরপরই একযোগে নতুন কমিটি ঘোষণার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে, যা দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য বড় সুখবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর কমিটি গঠনের নিয়ম থাকলেও বাস্তবে অনেক সংগঠনেই সেই নিয়ম মানা হয়নি। কোনো কোনো কমিটির মেয়াদ ৮-১০ বছর পার হয়ে গেলেও নতুন নেতৃত্ব আসেনি। এতে তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্ব বিকাশে বাধা তৈরি হয়েছে এবং পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পুনর্গঠন?

বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দল, মহিলা দলসহ একাধিক সংগঠন। এসব সংগঠনই মাঠ পর্যায়ে দলের শক্তি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় সাংগঠনিক কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, ঈদের পরপরই এসব সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ বা নতুন কমিটি গঠনের কাজ শুরু হতে পারে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।

নেতৃত্বে আসছে নতুন মুখ?

দীর্ঘদিন একই নেতৃত্ব থাকার কারণে নতুন প্রজন্মের নেতাদের সুযোগ কমে গেছে। তবে নতুন কমিটি হলে তরুণ ও যোগ্য নেতাদের সামনে উঠে আসার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

একই সঙ্গে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনগুলোকে আরও গতিশীল করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা

তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, দ্রুত পুনর্গঠন হলে সংগঠনের ভেতরের কোন্দল কমবে এবং মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম বাড়বে। অনেকেই আশা করছেন, এবার যোগ্যতা ও ত্যাগের ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।

ঈদের পর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত