ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দলিল আসল নাকি ভুয়া—চেনার সহজ উপায়

২০২৬ জানুয়ারি ১৬ ১৮:১৮:৪৭

দলিল আসল নাকি ভুয়া—চেনার সহজ উপায়

জমি কেনার আগে একটু অসতর্ক হলেই বড় আর্থিক ক্ষতির শিকার হতে পারেন। ভুয়া দলিল ও নকল কাগজপত্র দিয়ে প্রতারণা ঠেকাতে নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই যাচাই করুন—

দলিল যাচাইয়ের চেকলিস্ট

ভলিউম ও রেজিস্ট্রি নম্বর মিলানসাব-রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ডের সঙ্গে দলিলের সাল, নম্বর ও ভলিউম মিলিয়ে দেখুন।

সিল ও স্বাক্ষরের সত্যতা দেখুনদলিলে ব্যবহৃত সরকারি সিল ও কর্মকর্তার স্বাক্ষর আসল কি না নিশ্চিত করুন।

মালিকানা যাচাই করুনযিনি জমি বিক্রি করছেন, তিনি প্রকৃত মালিক কি না—নামজারি (মিউটেশন) ও খতিয়ান দেখে মিলিয়ে নিন।

খতিয়ান ও সীমানা মিলানদাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও চারদিকের সীমানা বাস্তব অবস্থার সঙ্গে মিল আছে কি না দেখুন।

পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হলে দ্বিগুণ সতর্কতাবিক্রি যদি প্রতিনিধি (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) করে, তাহলে তার ছবি, স্বাক্ষর ও অনুমতিপত্র ভালোভাবে যাচাই করুন।

পুরোনো দলিল ও উত্তরাধিকারনামা দেখুনআগের মালিকদের দলিল, ওয়ারিশ সনদ ও রেকর্ডে ধারাবাহিকতা আছে কি না নিশ্চিত করুন।

খাজনা ও কর পরিশোধের রশিদ যাচাই করুননিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দেওয়া হয়েছে কি না, তার রসিদ মিলিয়ে নিন।

স্ট্যাম্প ও সিরিয়াল নম্বর পরীক্ষা করুনব্যবহৃত স্ট্যাম্প আসল কি না এবং এর সিরিয়াল নম্বর সরকারি রেকর্ডে আছে কি না দেখুন।

তারিখে অসঙ্গতি আছে কি না দেখুনদলিলের তারিখ, নামজারি ও হস্তান্তরের সময়ের মধ্যে গরমিল থাকলে সতর্ক হোন।

আইনজীবী ও ভূমি অফিসের পরামর্শ নিনচূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অভিজ্ঞ আইনজীবী বা সহকারী ভূমি কমিশনারের মাধ্যমে কাগজ যাচাই করান।

মনে রাখবেন:জমি কেনা জীবনের বড় বিনিয়োগ। একাধিক স্তরে যাচাই না করে কখনোই দলিলে সই বা টাকা লেনদেন করবেন না। সচেতন থাকলে ভুয়া দলিলের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত