ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সুখবর,চূড়ান্ত সম্মতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের

২০২৬ জানুয়ারি ০৩ ১৭:৫৮:০৬

সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সুখবর,চূড়ান্ত সম্মতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে বড় অগ্রগতি এলো দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের জন্য। অবশেষে ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে করে সারাদেশের হাজারো শিক্ষকের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বাস্তবায়ন অনুবিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহবুবুল আলম।

কী বলা হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতিপত্রে

সম্মতিপত্রে উল্লেখ করা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের পূর্বানুমোদনের আলোকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বিদ্যমান ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার প্রস্তাবে অর্থ বিভাগের চূড়ান্ত সম্মতি প্রদান করা হলো।

এর ফলে এতদিন যারা ১১তম গ্রেডে চাকরি করছিলেন, তারা এখন উন্নীত বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন।

কত বাড়ছে বেতন?

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—

নতুন বেতন (গ্রেড-১০): ১৬,০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩৮,৬৪০ টাকা

আগের বেতন (গ্রেড-১১): ১২,৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩০,২৩০ টাকা

অর্থাৎ মাসিক বেতনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা।

নিয়োগ ও বিধিমালার শর্ত অপরিবর্তিত

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পদগুলো ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ীই পূরণযোগ্য থাকবে। অর্থাৎ গ্রেড উন্নীত হলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া ও নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন আসছে না।

বাস্তবায়নে যেসব শর্ত মানতে হবে

অর্থ বিভাগের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে—

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবরের স্মারক

ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের ২৮ জুলাইয়ের শর্তাবলি

এসব যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে পদ মঞ্জুরি আদেশ (জি.ও) জারি করে তা ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগে পৃষ্ঠাঙ্কনের জন্য পাঠাতে হবে।

শিক্ষকদের মধ্যে স্বস্তির হাওয়া

দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্য ও গ্রেড উন্নীতের দাবিতে আন্দোলন ও আলোচনা চলছিল। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এই চূড়ান্ত সম্মতিকে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত