ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বিএনপির ৫ কেন্দ্রীয় নেতাসহ বহিষ্কার আরও ৯ জন হেভিওয়েট

২০২৫ ডিসেম্বর ৩১ ১৯:৩০:০৬

বিএনপির ৫ কেন্দ্রীয় নেতাসহ বহিষ্কার আরও ৯ জন হেভিওয়েট

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির মাঝে বড় ধরনের সাংগঠনিক শুদ্ধি অভিযানে নেমেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগে দলের ৫ জন প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতাসহ মোট ৯ জনকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় ও জ্যেষ্ঠ নেতারা হলেন:

১. ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা: জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।

২. মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন: জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।

৩. মোহাম্মদ শাহ আলম: জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।

৪. হাসান মামুন: জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।

৫. আব্দুল খালেক: জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।

বহিষ্কৃত অন্যান্য নেতারা হলেন:দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে আরও যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তারা হলেন— ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব ও ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি তরুণ দে।

কেন এই কঠোর পদক্ষেপ?বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নেতারা দলীয় শৃঙ্খলার তোয়াক্কা না করে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে পৃথক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ কোন্দল উসকে দেওয়ার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে কয়েক দফায় তাঁদের সতর্ক করা হলেও পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় দল এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।

রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া:তারেক রহমানের নির্দেশে নেওয়া এই ‘গণবহিষ্কার’ বিএনপির রাজনীতিতে নতুন এক কম্পন তৈরি করেছে। বিশেষ করে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এবং সাইফুল আলম নীরবের মতো পরিচিত মুখগুলোর বিদায়ে তৃণমূলের কর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, দলের মধ্যে শৃঙ্খলা ফেরাতে এর কোনো বিকল্প ছিল না।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত