ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আরও কমেছে নতুন পেঁয়াজ ও আলুর দাম

২০২৫ ডিসেম্বর ১৯ ১৫:৪১:৩৮

আরও কমেছে নতুন পেঁয়াজ ও আলুর দাম

সপ্তাহ ব্যবধানে নিত্যপণ্যের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন না এলেও কিছু পণ্যে স্বস্তির ছোঁয়া মিলেছে। বিশেষ করে নতুন পেঁয়াজ ও আলুর দামে সামান্য পতন লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে আগের মতোই নিম্নমুখী রয়েছে ডিম ও মুরগির বাজার। তবে পুরোনো পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা এখনো কাটেনি, যা ভোক্তাদের ভোগাচ্ছে।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও তালতলাসহ কয়েকটি এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ খুব একটা না বাড়লেও দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত নতুন পেঁয়াজের কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় গড়ে ১০ টাকা কম।

অন্যদিকে, পুরোনো পেঁয়াজ কিনতে এখনো গুনতে হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতারা জানান, নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ পর্যাপ্ত না হওয়ায় পুরোনো পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে না।

খিলগাঁও তালতলা বাজারে নতুন পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হলেও রামপুরার কিছু দোকানে একই পেঁয়াজ ১২০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়েছে। মান ও আকারভেদে দামের এই পার্থক্য বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এক বিক্রেতা ফরিদ হোসেন বলেন, নতুন পেঁয়াজ এখনো পুরোপুরি পরিপক্ব নয়। আকার ছোট হওয়ায় দাম তুলনামূলক কম, তবে বড় আকারের পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেশি। সরবরাহ বাড়লে সামনে আরও দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

আলুর বাজারেও নিম্নমুখী প্রবণতা

এ মৌসুমে শুরু থেকেই আলুর দাম তুলনামূলক কম। গত সপ্তাহে নতুন আলু যেখানে ৩৫–৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছিল, সেখানে এখন তা নেমে এসেছে ৩০–৩৫ টাকায়। পুরোনো আলু আগের মতোই ২০–২৫ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

শীতকালীন সবজিতেও স্বস্তি

আলু-পেঁয়াজের পাশাপাশি শীতকালীন সবজির দামও কমেছে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন ৩০–৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৪০ টাকা বা তার বেশি।বেগুনের দাম মান ও জাতভেদে ৬০–৮০ টাকা, লম্বা জাত তুলনামূলক সস্তা। সবুজ শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০–৫০ টাকা, আর রঙিন শিমের দাম ৬০–৮০ টাকা কেজি।

ডিম ও মুরগির দামে খামারিদের উদ্বেগ

বাজারে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম কয়েক সপ্তাহ ধরেই তলানিতে। ব্রয়লার ডিম ডজনপ্রতি ১১০–১২০ টাকা, আর ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১৫০–১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ও মুরগির বিক্রেতারা জানান, দাম কমে যাওয়ায় খামারিরা উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। এতে করে খামারিরা লোকসানের মুখে পড়ছেন এবং ভবিষ্যতে সরবরাহ চেইনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত