ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
দেশে চার শ্রেণির জমির খাজনা স্থায়ীভাবে বাতিল: ভূমি মালিকদের বড় স্বস্তি
সরকার দেশে চার ধরনের জমির ওপর আর কোনো ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা আদায় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শ্রেণির জমির মালিকদের আর কখনোই এ জমির বিনিময়ে সরকারি খাজনা পরিশোধ করতে হবে না। বহু বছর ধরে জমির মালিকেরা যে আর্থিক চাপের মুখে ছিলেন, এই ঘোষণা তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী স্বস্তি এনে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট চারটি ধরনের জমির ক্ষেত্রে স্থায়ীভাবে খাজনা বাতিল করা হলো এবং সরকারি কোনো দপ্তর ভবিষ্যতেও এ জমি থেকে কর আদায় করবে না।
যে চার ধরনের জমির খাজনা স্থায়ীভাবে বাতিল করা হলো১. সরকারি বা জাতীয় খালাস জমি
সরকার বা রাষ্ট্রীয় খতিয়ানে নিবন্ধিত এসব জমির ভূমি উন্নয়ন কর সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হয়েছে। এ শ্রেণির জমির মালিকদের আর কোনো ধরণের খাজনা দিতে হবে না।
২. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমি
মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মঠসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা জমি খাজনা থেকে মুক্ত থাকবে।তবে শর্ত হলো—ধর্মীয় স্থাপনার জমি কোনোভাবেই বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
৩. পুনর্বাসন ও আবাসন প্রকল্পের জমি
সরকার পরিচালিত পুনর্বাসন বা সরকারি আবাসন প্রকল্পের আওতায় পাওয়া জমির খাজনা সম্পূর্ণভাবে মওকুফ করা হয়েছে। এসব জমির মালিকদের আর কোনো কর দিতে হবে না।
৪. সরকারি প্রয়োজনে অধিগ্রহণকৃত জমি
যে জমি অধিগ্রহণ করে সরকার কাজে ব্যবহার করছে বা করেছে—এ ধরনের জমির ক্ষেত্রেও খাজনা স্থায়ীভাবে বাতিল করা হলো।
অসচ্ছল মালিক ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধা
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খাজনা বাতিলের পাশাপাশি দরিদ্র ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল জমির মালিকেরা চাইলে অতিরিক্ত ছাড় বা অস্থায়ী মওকুফের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জমা দিতে হবে
যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্যদের ছাড় দেওয়া হবে
তবে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, কেউ যদি টানা তিন বছর খাজনা পরিশোধ না করেন, তাহলে সেই জমি খাস খতিয়ানে চলে যেতে পারে। কিন্তু যে জমিগুলো খাজনা-মুক্ত করা হয়েছে, সেসব জমির ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি আর নেই।
খাজনা পরিশোধে পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থা
খাজনা প্রদানের পুরো প্রক্রিয়ায় এসেছে বড় পরিবর্তন। এখন আর ভূমি অফিসে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকতে হবে না।
এখন থেকে—
ভূমি সেবা ওয়েবসাইট
মোবাইল অ্যাপ
ব্যবহার করে বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করা যাবে।
ভূমি মন্ত্রণালয় আশা করছে, নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ায় ঘুষ, হয়রানি, দালালচক্র এবং অনিয়ম অনেকটাই কমে যাবে। এতে ভূমি সেবার স্বচ্ছতা ও সার্বিক মান আরও উন্নত হবে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- একলাফে কমলো তেলের দাম, ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ ধস
- নবম পে স্কেলে বড় চমক
- ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম প্রধানমন্ত্রীর
- বিশ্বকাপে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচের ফল জানিয়ে দিল হাঙর রিতিনিয়া
- আকাশচুম্বী সোনার দাম: বাংলাদেশে ভরি প্রতি নতুন রেকর্ড ছাড়ালো
- ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর? ২০ গ্রেডের চাকরিজীবীদের জন্য থাকছে যেসব বড় সুবিধা
- ব্রাজিল বনাম মিশর ম্যাচের সময়সূচি জানুন
- বাংলাদেশ-ভারত মহারণসহ ৩১ মে’র জমজমাট খেলার সূচি, রাতে আইপিএল ফাইনাল
- রিয়াদের অবস্থা খুব খারাপ
- আজ রাতে ব্রাজিল বনাম পানামা ম্যাচ: লাইভ দেখার উপায় ও সময়সূচি
- আর্জেন্টিনা বনাম হন্ডুরাস: জেনেনিন মাচের সময়সূচি
- রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল, পানামা ম্যাচটি যেভাবে দেখবেন লাইভ
- টানা তিন দফা কমল সোনার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি নেমে এলো
- বাংলাদেশ বনাম ভারত: ৯০ মিনিটের খেলা শেষ, জানুন ফলাফল
- ব্যাপক চমকে শেষ হলো বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচ