ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কায়কোবাদ ও আসিফ অনুসারীরা মুখোমুখি

২০২৫ সেপ্টেম্বর ১৪ ১৫:১৪:৪৯

কায়কোবাদ ও আসিফ অনুসারীরা মুখোমুখি

কুমিল্লার মুরাদনগরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এবং স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার অনুসারীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। প্রতিদিনই এ দুই নেতার কর্মী-সমর্থকরা সভা-সমাবেশ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিচ্ছেন। মূলত কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে এই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। কায়কোবাদ এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী, অন্যদিকে আসিফ মাহমুদও এ আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে জল্পনা-কল্পনা চলছে।

এদিকে দুই নেতার দ্বন্দ্বের ফাঁকে নীরবে এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছেন জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হাকিম সোহেল। স্থানীয়রা বলছেন, মুরাদনগর বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হলেও এখানে জামায়াতেরও সুসংগঠিত কাঠামো রয়েছে। এনসিপিও (জাতীয় নাগরিক পার্টি) আসনে সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার চেষ্টা করছে। স্থানীয়দের মতে, যিনি বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ পাবেন, তার জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

কায়কোবাদপন্থীরা আশাবাদী যে, তিনি মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হবেন। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদের অনুসারীরা মনে করেন, তিনি প্রার্থী হলে ভোটযুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারবেন। তবে এ উপদেষ্টা এখনো বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। এরই মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে পূর্বে হামলা-মামলা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিদিনের বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে, যা আসন্ন নির্বাচনে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে পরিচিতি বাড়াচ্ছেন জামায়াতের ইউসুফ হাকিম সোহেল। অনেকেই তার নম্র ব্যবহার ও গণসংযোগে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে এনসিপিও প্রতিটি ইউনিয়নে কমিটি গঠন করে নির্বাচনী প্রস্তুতি চালাচ্ছে। বিএনপি নেতারা বলছেন, কায়কোবাদের বিকল্প মুরাদনগরে নেই এবং তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। অপরদিকে জামায়াত প্রার্থী সোহেল জানিয়েছেন, তিনি জনগণের সেবক হিসেবেই রাজনীতি করতে চান এবং মুরাদনগরবাসীর আস্থা অর্জন করতে চান।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত