ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নেপালে বিক্ষোভে নিহত ১৯ | সারাদেশে কারফিউ জারি, উত্তাল তরুণরা

ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ, আজও রাস্তায় তরুণরা

২০২৫ সেপ্টেম্বর ০৯ ১০:০৮:৩৯

ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ, আজও রাস্তায় তরুণরা

নেপালে দুর্নীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে তরুণদের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলন রাজধানী কাঠমান্ডু ছাড়িয়ে এখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সহিংসতায় নিহত হয়েছেন অন্তত ১৯ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন একাধিক শহরে কারফিউ জারি করেছে।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই কাঠমান্ডুর নতুন বানেশ্বর এলাকায় পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। স্থানীয় গণমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, তরুণরা কোনো ব্যানার বা প্ল্যাকার্ড ছাড়াই সেখানকার রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এক অংশগ্রহণকারী বলেন, “গতকালের ঘটনা সরকারের ব্যর্থতা প্রমাণ করেছে। তাই তরুণদের পাশে দাঁড়াতে এসেছি।”

এর আগে সোমবার দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনে অন্তত ১৯ জন নিহত হন। বিশেষ করে সুনসারির ইটাহারিতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দুজন নিহত ও একজন আহত হন। বিক্ষোভকারীরা পৌরসভা কার্যালয়ে ভাঙচুর চালালে বিকেল থেকেই কারফিউ জারি করা হয়।

ঝাপার বীরাটমোড় ও দামাকে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন এক ডজনের বেশি মানুষ। বিক্ষোভকারীরা বীরাটমোড় পুলিশ পোস্টে অগ্নিসংযোগ করেন। দামাকে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির বাড়িতেও ইটপাটকেল ছোড়া হয়। রাতে সেখানে কারফিউ জারি করা হয়।

পোখারার কাস্কি জেলাতেও অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি হয়েছে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ও পানিকামান ব্যবহার করে। এতে অন্তত দুইজন গুলিবিদ্ধ হন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মূলত কলেজপড়ুয়া তরুণদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে পরে সাধারণ মানুষও যোগ দেন। ফলে তা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সরকারের কঠোর দমননীতি নিয়েও বিরোধী ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতারা সমালোচনা করেছেন।

আকাশ /

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত