ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে উত্তেজনা চরমে: নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগ দিলো বিজিবি

২০২৫ জুলাই ১৬ ১৭:২৬:৫৩

গোপালগঞ্জে উত্তেজনা চরমে: নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগ দিলো বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র পদযাত্রা ঘিরে ভয়াবহ সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে রূপ নিয়েছে পুরো এলাকা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে আরও ৪ প্লাটুন বিজিবি। বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় স্থানীয় প্রশাসন।

সমাবেশের মাঝেই শুরু হয় সহিংসতাজেলা শহরের পৌর পার্কে বেলা দেড়টার দিকে এনসিপির সমাবেশ চলাকালে হামলার সূচনা হয়। সমাবেশে উপস্থিত নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি পক্ষ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মঞ্চে উঠে পড়ে এবং সেখানেই শুরু হয় ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুর। চেয়ার ছোড়াছুড়ি, লাঠিচার্জ ও আতঙ্কে মানুষ দিগ্বিদিক ছুটতে থাকে।

গাড়িবহরে আক্রমণ, পুলিশি যানেও হামলাপরে বেলা আড়াইটার দিকে এনসিপি নেতা-কর্মীদের গাড়িবহর গোপালগঞ্জ সদরের বিভিন্ন সড়ক দিয়ে ফিরে যাওয়ার পথে বিভিন্ন পয়েন্টে হামলার মুখে পড়ে। সবচেয়ে বড় হামলা হয় সদর উপজেলার কংশুর এলাকায়। সেখানে একটি ইউএনওর গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

এছাড়া সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে পুলিশের টহল গাড়িতেও হামলা চালানো হয়। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সেখানকার একটি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকে।

উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতারা‘জুলাই পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে আয়োজিত সমাবেশে এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। তারা দাবি করেছেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালে এ ধরনের হামলা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।

প্রশাসনের অবস্থানগোপালগঞ্জে সহিংসতার পরিস্থিতি ঠেকাতে জেলা প্রশাসন প্রথমে পুলিশ ও সেনাবাহিনী নামায়। পরে, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অতিরিক্ত ৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত