ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাংলাদেশে একলাফে অনেকটাই কমে গেলো পেঁয়াজের দাম

২০২৪ অক্টোবর ০২ ১৫:৪২:২৬

বাংলাদেশে একলাফে অনেকটাই কমে গেলো পেঁয়াজের দাম

বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে, যা বিশেষ করে চলমান দুর্গাপূজার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।

### পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি

১. **হিলি স্থলবন্দর**: দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের থেকে পেঁয়াজের আমদানি বাড়ানো হয়েছে। পূর্বে যেখানে ৯ থেকে ১০ গাড়ি পেঁয়াজ আমদানি হতো, এখন তা বেড়ে ১৬ থেকে ২৬ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানিতে পৌঁছেছে।

২. **মূল্য হ্রাস**: ১ অক্টোবরের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় পেঁয়াজের খুচরা দাম ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় নেমে এসেছে। এছাড়া দেশীয় পেঁয়াজের দামও ১০ টাকা কমে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ পেঁয়াজ কিনতে পারছে কম দামে।

### ভারতীয় বাজারের প্রভাব

৩. **শুল্ক হ্রাস**: ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, রপ্তানি মূল্য প্রতি মেট্রিকটন ৫৫০ মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ৪০৫ ডলার করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো পেঁয়াজের আমদানি বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

### বাজারের পরিস্থিতি

৪. **স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া**: হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা মইনুল হোসেন জানান, তাঁরা কম দামে পেঁয়াজ কিনে সাধারণ মানুষের কাছে কম দামে বিক্রি করছেন। এর ফলে বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দাম স্থিতিশীল হচ্ছে।

৫. **দুর্গাপূজার প্রভাব**: আসন্ন দুর্গাপূজায় পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই উদ্যোগগুলো ইতিবাচক বলে মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তারা আশা করছেন, এর ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং মূল্য আরও কমবে।

মোটকথা, পেঁয়াজের দাম হ্রাস পেতে বিভিন্ন প্রক্রিয়া কার্যকর হয়েছে, যা বাজারের জন্য একটি সুসংবাদ। এই পরিবর্তনগুলি শুধুমাত্র ভোক্তাদের জন্য সুবিধা বয়ে আনছে না, বরং দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। আশা করা হচ্ছে, এই অবস্থান অব্যাহত থাকবে, বিশেষ করে উৎসবের সময়ে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত