ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বিশ্বকাপ কাঁপাতে আসছেন আফ্রিকার ৭ তারকা!একজন হতে পারে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ আফ্রিকান ফুটবলের জন্য হতে যাচ্ছে একটি ঐতিহাসিক আসর। প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে আফ্রিকার রেকর্ড ১০টি দেশ। ফলে মহাদেশটির ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশাও আকাশছোঁয়া। কাতার বিশ্বকাপে মরক্কোর ঐতিহাসিক সেমিফাইনাল যাত্রার পর এবারও আফ্রিকার দলগুলো বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখছে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে আলো ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বেশ কয়েকজন আফ্রিকান ফুটবলারের। তাদের মধ্যে এমন কিছু নাম রয়েছে, যারা নিজেদের জাতীয় দলকে সাফল্যের পথে নেতৃত্ব দিতে পারেন এবং বিশ্বজুড়ে নতুন করে পরিচিতি পেতে পারেন।
ঘানার অন্যতম ভরসার নাম আন্তোয়ান সেমেনিয়ো। লন্ডনে জন্ম নেওয়া এই ফরোয়ার্ড ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। গতি, শক্তি এবং গোল করার দক্ষতার কারণে তিনি ঘানার আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
আইভরি কোস্টের ভবিষ্যৎ তারকা হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ইয়ান ডিওমান্ডে। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজের প্রতিভার ছাপ রেখে নজর কেড়েছেন তিনি। দুর্দান্ত গোল এবং অ্যাসিস্টের মাধ্যমে ক্লাবকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনে দিয়ে ইতোমধ্যে ভবিষ্যতের সুপারস্টার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ স্বপ্নের বড় অংশজুড়ে রয়েছেন গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস। অভিজ্ঞ এই অধিনায়ক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলের রক্ষাকবচ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে পেনাল্টি শুটআউটে তার অসাধারণ দক্ষতা দক্ষিণ আফ্রিকাকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কেপ ভার্দের অন্যতম নির্ভরতার নাম রোবার্তো ‘পিকো’ লোপেস। তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের গল্প যেমন ব্যতিক্রমী, তেমনি মাঠে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতাও প্রশংসিত। রক্ষণভাগে তার উপস্থিতি কেপ ভার্দেকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।
মরক্কোর সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন ব্রাহিম দিয়াজ। ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে সফল এই উইঙ্গার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। গোল করা, সুযোগ তৈরি এবং বড় ম্যাচে পারফর্ম করার ক্ষমতার কারণে বিশ্বকাপেও তিনি মরক্কোর প্রধান ভরসা।
সেনেগালের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন ইসমাইলা সার। অসাধারণ গতি ও ড্রিবলিংয়ের জন্য পরিচিত এই উইঙ্গার যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারেন। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে তার অভিজ্ঞতাও সেনেগালের জন্য বড় সম্পদ।
মিসরের অন্যতম আলোচিত ফুটবলার ওমর মারমুশও থাকছেন নজরের কেন্দ্রে। ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজের অবস্থান শক্ত করার পর এখন জাতীয় দলের হয়ে বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। মোহাম্মদ সালাহর পাশাপাশি মিসরের আক্রমণভাগে মারমুশের উপস্থিতি প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
আফ্রিকার ফুটবল এখন আর শুধু প্রতিভার গল্প নয়, বরং প্রতিযোগিতামূলক শক্তিরও প্রতীক। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপে এই সাত ফুটবলার শুধু নিজেদের দেশ নয়, পুরো আফ্রিকা মহাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। তাদের পারফরম্যান্সই হয়তো নির্ধারণ করে দেবে, এবার আফ্রিকার কোনো দল ইতিহাস গড়তে পারে কি না।
100% ক্লিকবেইট SEO Title
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- একলাফে কমলো তেলের দাম, ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ ধস
- ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম প্রধানমন্ত্রীর
- বিশ্বকাপে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচের ফল জানিয়ে দিল হাঙর রিতিনিয়া
- সাফের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ: সময়সূচীতে পরিবর্তন
- আকাশচুম্বী সোনার দাম: বাংলাদেশে ভরি প্রতি নতুন রেকর্ড ছাড়ালো
- ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর? ২০ গ্রেডের চাকরিজীবীদের জন্য থাকছে যেসব বড় সুবিধা
- ব্রাজিল বনাম মিশর ম্যাচের সময়সূচি জানুন
- আজ বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ম্যাচ: জানুন সময়সূচি ও সরাসরি দেখার উপায়
- বাংলাদেশ-ভারত মহারণসহ ৩১ মে’র জমজমাট খেলার সূচি, রাতে আইপিএল ফাইনাল
- রিয়াদের অবস্থা খুব খারাপ
- আজ রাতে ব্রাজিল বনাম পানামা ম্যাচ: লাইভ দেখার উপায় ও সময়সূচি
- আর্জেন্টিনা বনাম হন্ডুরাস: জেনেনিন মাচের সময়সূচি
- রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল, পানামা ম্যাচটি যেভাবে দেখবেন লাইভ
- টানা তিন দফা কমল সোনার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি নেমে এলো
- বাংলাদেশ বনাম ভারত: ৯০ মিনিটের খেলা শেষ, জানুন ফলাফল