ঢাকা, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

এলপিজি গ্যাসের দামে অস্থিরতা

২০২৬ মে ২০ ০০:১৯:১২

এলপিজি গ্যাসের দামে অস্থিরতা

গাইবান্ধায় হঠাৎ করেই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অসন্তোষ। সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ভোক্তারা। স্থানীয় বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি গুনতে হচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব এবং খুচরা বিক্রেতাদের ইচ্ছেমতো মূল্য নির্ধারণের কারণে সাধারণ মানুষ অনেকটা বাধ্য হয়েই বেশি দামে গ্যাস কিনছেন।

গাইবান্ধা জেলায় পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ না থাকায় রান্নাবান্না ও দৈনন্দিন কাজে এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল স্থানীয় বাসিন্দারা। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু খুচরা বিক্রেতা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভোক্তাদের দাবি, সরকার নির্ধারিত ১২ কেজির সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ৯৪০ টাকা হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ১৫০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায়।

স্থানীয় গৃহিণী ও সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামের কথা বললেই দোকানিরা গ্যাস না থাকার অজুহাত দিচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়ে বাড়তি দামেই গ্যাস কিনতে হচ্ছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে ডিলারদের দাবি, তারা সরকার নির্ধারিত দামেই খুচরা বিক্রেতাদের কাছে গ্যাস সরবরাহ করছেন। তবে খুচরা পর্যায়ে অতিরিক্ত লাভের কারণে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বিক্রিও কমে গেছে।

বিইআরসি-এর নিয়ম অনুযায়ী, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের ডিলার মূল্য ১ হাজার ৯০০ টাকা এবং খুচরা মূল্য ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বাস্তবে সেই নির্দেশনা মানা হচ্ছে না বলেই অভিযোগ ভোক্তাদের। এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাজারে নিয়মিত নজরদারি চলছে এবং অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত