ঢাকা, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

একলাফে কমে গেলো স্বর্ণের দাম: ৭ মার্চ ২০২৬ বাংলাদেশে কত হলো প্রতি ভরি সোনার মূল্য?

২০২৬ মার্চ ০৭ ০৯:৪৮:৪০

একলাফে কমে গেলো স্বর্ণের দাম: ৭ মার্চ ২০২৬ বাংলাদেশে কত হলো প্রতি ভরি সোনার মূল্য?

দেশের স্বর্ণবাজারে টানা কয়েক দফা দাম বৃদ্ধির পর অবশেষে কমলো সোনার দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে Bangladesh Jewellers Association বা বাজুস।

শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মূল্য এর আগেই কার্যকর হয়েছে এবং বর্তমানে সেই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

কেন কমলো স্বর্ণের দাম?

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের বাজারেও নতুন করে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তন, আমদানি খরচ এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা–সরবরাহও স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আগের দাম কত ছিল?

এর আগে ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া গত সপ্তাহেও দুই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন মোট ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল।

ফলে কয়েক দিনের ব্যবধানে টানা বৃদ্ধি শেষে এবার উল্লেখযোগ্য হারে কমলো স্বর্ণের দাম। এতে স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা থাকা ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরে কতবার পরিবর্তন হলো স্বর্ণের দাম?

চলতি বছরে দেশের বাজারে ইতোমধ্যে ৩৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে

২৪ বার দাম বেড়েছে

১৩ বার দাম কমানো হয়েছে

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারের ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের মূল্য পরিবর্তনের কারণে স্বর্ণের দাম বারবার সমন্বয় করতে হচ্ছে।

স্বর্ণ কেনার সময় অতিরিক্ত খরচ

বাংলাদেশে স্বর্ণের অলংকার কেনার সময় নির্ধারিত দামের পাশাপাশি অতিরিক্ত কিছু খরচ যোগ হয়। সাধারণত স্বর্ণের দামের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং প্রতি ভরিতে মজুরি বা মেকিং চার্জ আলাদাভাবে যোগ করা হয়। ফলে অলংকার কেনার সময় চূড়ান্ত মূল্য আরও কিছুটা বেশি হতে পারে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত