ঢাকা, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

স্ব`প্ন`দোষ ও মিল`নের পর ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম ও সুন্নতি পদ্ধতি জেনেনিন

২০২৬ মার্চ ০৪ ০০:৫৯:০৯

স্ব`প্ন`দোষ ও মিল`নের পর ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম ও সুন্নতি পদ্ধতি জেনেনিন

পবিত্রতার পূর্ণতা পেতে ইসলামের নির্দেশনা

ইসলামে বড় নাপাকি থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য ফরজ গোসল করা অপরিহার্য। স্বপ্নদোষ, সহবাস, মাসিক শেষ হওয়া বা প্রসব-পরবর্তী রক্তপাত বন্ধ হওয়ার পর গোসল ফরজ হয়। এই গোসল সঠিকভাবে আদায় না হলে নামাজ, তিলাওয়াত ও অন্যান্য ইবাদত শুদ্ধ হয় না।

ফরজ গোসল কী?

ফরজ গোসলের মূল উদ্দেশ্য হলো—নিয়তসহ এমনভাবে পুরো শরীরে পানি পৌঁছানো, যেন শরীরের কোনো অংশ, চুলের গোড়া, ত্বকের ভাঁজ বা নাক-মুখের ভেতরের অংশও শুকনা না থাকে।

ফরজ তিনটি

মনে মনে নিয়ত করা।

কুলি করা (মুখের ভেতরে পানি পৌঁছানো)।

নাকে পানি দেওয়া এবং পুরো শরীরে পানি পৌঁছানো।

ফরজ গোসলের উত্তম (সুন্নতি) পদ্ধতি ধাপে ধাপে১. নিয়ত করা

মনে মনে এই নিয়ত করা যে, বড় নাপাকি থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করছি।

২. বিসমিল্লাহ বলা

“বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম” বলে গোসল শুরু করা।

৩. হাত ধোয়া

প্রথমে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত তিনবার ধোয়া।

৪. লজ্জাস্থান পরিষ্কার

বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান ও নাপাক অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করা।

৫. পূর্ণ ওযু করা

নামাজের মতো করে ওযু করা (শেষে পা ধোয়া গোসল শেষে করা উত্তম)।

৬. মাথা ও শরীরে পানি ঢালা

মাথায় তিনবার পানি ঢেলে চুলের গোড়া পর্যন্ত ভেজানো।

এরপর ডান দিক থেকে শুরু করে বাম দিক পর্যন্ত পুরো শরীরে পানি পৌঁছানো।

নাভি, কান, বগল, হাঁটুর পেছন ও ত্বকের ভাঁজ ভালোভাবে ভেজানো নিশ্চিত করা।

৭. শেষে পা ধোয়া

সবশেষে দুই পা ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

শরীরের কোনো অংশ শুকনা থাকলে গোসল সহীহ হবে না।

নাক ও মুখের ভেতরে পানি পৌঁছানো ফরজ।

শুধু শরীরে পানি ঢালাই নয়, নিয়তও অপরিহার্য।

সুন্নতি পদ্ধতি অনুসরণ করলে অতিরিক্ত সওয়াব পাওয়া যায়।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

লাইফস্টাইল এর অন্যান্য সংবাদ