ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

ডিম ও মুরগির দাম নিয়ে অনেক বড় সুখবর

২০২৫ নভেম্বর ২৮ ১৬:৫২:৪৮

ডিম ও মুরগির দাম নিয়ে অনেক বড় সুখবর

শীতের আমেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে এসেছে নানারকম মৌসুমি সবজি। তবে সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি—বরং আগের বছরের তুলনায় বেশ কিছু সবজির মূল্য এখনো ক্রেতার নাগালের বাইরে। রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচা বাজার ঘুরে শুক্রবার পাওয়া গেছে এমনই চিত্র।

বিক্রেতাদের দাবি, গত অক্টোবরের অস্বাভাবিক বৃষ্টিতে শীতকালীন সবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। অনেক জায়গায় জমি নষ্ট হওয়ায় সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে পাইকারি ও খুচরা—উভয় বাজারেই সবজির দাম চড়া অবস্থায় আছে।

যদিও বাজারে এখন ভরপুর নতুন বেগুন, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শালগম থেকে শুরু করে টমেটো, গাজর, লাউ, মুলা, মিষ্টিকুমড়া—সবই মজুদ রয়েছে। তবুও ক্রেতারা সন্তুষ্ট নন দামের আচরণে।

মালিবাগ বাজারে সবজি কিনতে আসা ক্রেতা শিহাব হোসেন বলেন, “শীতের সবজি প্রায় এক মাস হলো বাজারে এসেছে। অন্যান্য বছর এ সময় দাম অনেক কমে যেত। এবার দাম কমার কোনো লক্ষণই নেই।”

বর্তমানে এক কেজি তাজা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০–১২০ টাকায়—যা সাধারণত গরমকালের দাম। অথচ শীতের মধ্যে বেগুনের দাম সাধারণত ৪০–৬০ টাকার মধ্যে থাকে। মাঝারি আকারের ফুলকপি ও বাঁধাকপি মিলছে ৪৫–৫৫ টাকায়। নতুন শিমের দাম কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে, কোথাও কোথাও ৭০–৮০ টাকাও পাওয়া যাচ্ছে।

তুলনায় আগের বছর একই সময়ে এসব সবজির দাম ছিল বেশ কম—শিম ৫০ টাকা আর কপি ২০–৩০ টাকার মতো। নতুন আলুর দামও ব্যতিক্রম নয়। বাজারভেদে নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ১২০–১৫০ টাকায়। বরবটি ৭০–৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ও পটোল ৫০–৭০ টাকা, আর একটি মিষ্টিকুমড়া ৮০–১০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে শীতের শুরুতেই সবজির বাজার রেখে গেছে হতাশার ছাপ। তবে স্বস্তির খবর একটাই—ডিম ও মুরগির বাজারে তুলনামূলক স্থিতিশীল দাম, যা ক্রেতাদের কিছুটা হলেও চাপ কমিয়েছে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত