ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য দারুণ সুখবর

২০২৫ অক্টোবর ২০ ১৭:২৪:৪০

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য দারুণ সুখবর

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড তাদের গ্রাহকদের জন্য এনেছে এক নতুন সঞ্চয় সুযোগ। ব্যাংকের জনপ্রিয় এই মুদারাবা সঞ্চয় স্কিমে এখন যে কেউ মাসে মাত্র ৫০০ টাকা থেকে সঞ্চয় শুরু করতে পারবেন — মেয়াদ শেষে পাবেন আকর্ষণীয় মুনাফা ও অন্যান্য সুবিধা।

সঞ্চয়ের পরিমাণ ও মেয়াদ

এই স্কিমে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট মাসিক কিস্তিতে ৩ বছর, ৫ বছর বা ১০ বছর মেয়াদে সঞ্চয় করতে পারবেন।

মাসিক কিস্তি: ৫০০ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত (৫০০-এর গুণিতক)

মেয়াদ শেষে সঞ্চিত অর্থের সঙ্গে লাভ একত্রে উত্তোলন বা কিস্তিতে তোলার সুযোগ থাকবে।

কিস্তি জমা দেওয়ার পদ্ধতি

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা নিচের উপায়ে কিস্তি জমা দিতে পারবেন —

ব্যাংকের যেকোনো শাখায় সরাসরি

এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা

ইন্টারনেট ব্যাংকিং

সেলফিন অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট

ডিপোজিট কার্ড দিয়ে সিআরএম/আইডিএম মেশিনে

স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক শাখার হিসাব থেকে Standing Instruction দিয়ে

লাভ বণ্টন নীতিমালা

এই সঞ্চয় হিসাবটি ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক মুদারাবা পদ্ধতিতে পরিচালিত।

ব্যাংকের মোট বিনিয়োগ লাভের কমপক্ষে ৬৫% মুদারাবা হিসাবগুলোতে বণ্টন করা হয়।

লাভের হার সময় অনুযায়ী পরিবর্তনশীল।

বছরে দুইবার অস্থায়ী লাভ প্রদান করা হয়।

হিসাব বছরের শেষে চূড়ান্ত লাভ সমন্বয় করে অতিরিক্ত অংশ গ্রাহককে দেওয়া হয়।

সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আয়কর ও এক্সসাইজ ডিউ কেটে রাখা হয়।

কে হিসাব খুলতে পারবেন

১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক

১৮ বছরের নিচে শিশুদের নামে অভিভাবক যৌথভাবে হিসাব খুলতে পারবেন

হিসাব খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

১️ পূরণকৃত অ্যাকাউন্ট ওপেনিং ফর্ম২️ জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স৩️ সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (পরিচয়দাতার সত্যায়নসহ)৪️ মনোনীত ব্যক্তির ছবি ও এনআইডি (আবেদনকারীর সত্যায়নসহ)৫️ এনআইডির ঠিকানার সঙ্গে বর্তমান ঠিকানা না মিললে ইউটিলিটি বিল৬️ (ঐচ্ছিক) সর্বশেষ বছরের আয়কর রিটার্নের কপি

মেয়াদ শেষে সুবিধা

মেয়াদ শেষে গ্রাহকরা তাদের জমাকৃত অর্থ ও লাভ একত্রে বা কিস্তিতে উত্তোলন করতে পারবেন।এটি ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম জনপ্রিয় সঞ্চয় স্কিম, যা দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা গড়ার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত