ঢাকা, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করছে ওপেন পোরস, সমাধান আছে এখানেই

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১০ ১২:১৯:৪০

ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করছে ওপেন পোরস, সমাধান আছে এখানেই

বয়ঃসন্ধিকালে মুখে ব্রণ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখনই, যখন ব্রণ সেরে যাওয়ার পরও মুখজুড়ে থেকে যায় ওপেন পোরস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ছিদ্রগুলো আরও বড় ও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা ত্বকের মসৃণতা ও সৌন্দর্য নষ্ট করে।

ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকে ছোট ছোট পোরস থাকা স্বাভাবিক। তবে কিছু অভ্যাস, পরিবেশগত কারণ ও শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তনের ফলে এই পোরস অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে যেতে পারে।

ওপেন পোরস হওয়ার প্রধান কারণ

জিনগত প্রভাবপরিবারে কারও ওপেন পোরসের সমস্যা থাকলে বংশানুক্রমে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও তা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এই সমস্যা পুরোপুরি জিনগত।

অতিরিক্ত সেবাম নিঃসরণযাদের ত্বক স্বাভাবিকভাবেই তৈলাক্ত, তাদের ক্ষেত্রে সেবাম নিঃসরণ বেশি হয়। এই অতিরিক্ত তেল পোরসের ভেতরে জমে ছিদ্রগুলো ধীরে ধীরে বড় করে তোলে।

বয়স বাড়ার প্রভাববয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের কোলাজেন ও ইলাস্টিসিটি কমে যায়। ফলে ত্বক ঢিলে হয়ে পড়ে এবং ওপেন পোরস আরও বেশি চোখে পড়ে।

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিসূর্যের ইউভি রশ্মি ত্বকের গভীর স্তরে ক্ষতি করে। এতে কোলাজেন নষ্ট হয়, ত্বকের টান কমে যায় এবং ওপেন পোরসের সমস্যা বাড়ে।

ত্বকের সঠিক যত্নের অভাবত্বকের ধরন না বুঝে প্রসাধনী ব্যবহার করা বা নিয়মিত মুখ পরিষ্কার না করলে পোরসের ভেতরে ধুলা, ময়লা ও মৃত কোষ জমে যায়। এর ফলেই পোরস বড় হয়ে ওঠে।

ব্ল্যাকহেডস ও ব্রণব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস ও ব্রণের কারণে পোরস প্রসারিত হয়। অনেক সময় ব্রণ সেরে গেলেও পোরস আগের অবস্থায় ফিরে আসে না।

হরমোনের পরিবর্তনঋতুচক্র, গর্ভাবস্থা বা রজোনিবৃত্তির সময় হরমোনের ওঠানামায় সেবাম নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা ওপেন পোরসের সমস্যাকে বাড়িয়ে তোলে।

ওপেন পোরস কমানোর কার্যকর উপায়

ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ওপেন পোরস পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব না হলেও নিয়মিত পরিচর্যায় এর আকার অনেকটাই কমানো যায়।

নিয়মিত স্কিন কেয়ার রুটিন মেনে চলুনপ্রতিদিন ক্লিনজিং, টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিং করলে ত্বক পরিষ্কার থাকে এবং পোরসের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

এক্সফোলিয়েশন জরুরিসপ্তাহে অন্তত দুইবার হালকা এক্সফোলিয়েশন করলে মৃত কোষ দূর হয় এবং পোরস ব্লক হওয়ার ঝুঁকি কমে।

নন-কমেডোজেনিক প্রসাধনী ব্যবহার করুনহালকা, কম ঘনত্বের ও নন-কমেডোজেনিক প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে পোরস বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

সানস্ক্রিন কখনও বাদ দেবেন নাআবহাওয়া যেমনই হোক, দিনের বেলায় সানস্ক্রিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এটি ত্বককে ইউভি ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে এবং পোরস বড় হওয়া রোধ করে।

সবশেষে বলা যায়, ওপেন পোরস হঠাৎ করে হওয়া কোনো সমস্যা নয়। জিন, হরমোন, জীবনযাপন ও ত্বকের যত্ন—সবকিছুরই এতে প্রভাব রয়েছে। নিয়মিত স্কিন কেয়ার রুটিন মেনে চললে এবং ত্বকের ধরন অনুযায়ী যত্ন নিলে ওপেন পোরসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

লাইফস্টাইল এর অন্যান্য সংবাদ

২০মিনিটের খেলা শেষ, আর্জেন্টিনা-স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলাটি সরাসরি দেখুন এখানে, LIVE

২০মিনিটের খেলা শেষ, আর্জেন্টিনা-স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলাটি সরাসরি দেখুন এখানে, LIVE

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ... বিস্তারিত