ঢাকা, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ওমানের বিমানবন্দরে কেন জরিমানা গুনছেন বেশিরভাগ বাংলাদেশি যাত্রী? জানুন আসল কারণ

২০২৬ জানুয়ারি ২২ ০১:২৫:৩৬

ওমানের বিমানবন্দরে কেন জরিমানা গুনছেন বেশিরভাগ বাংলাদেশি যাত্রী? জানুন আসল কারণ

ওমানের মাস্কাটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশি যাত্রীদের একটি বড় অংশ নিয়ম না জানার কারণে বাড়তি জরিমানার মুখে পড়ছেন। প্রবাস টাইমের সরেজমিন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ বাংলাদেশি যাত্রীর লাগেজ ও কার্টন নির্ধারিত মানদণ্ডের সঙ্গে মিল না থাকায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের অতিরিক্ত অর্থদণ্ড দিচ্ছে।

লাগেজ প্যাকিংয়ে যেসব নিয়ম না মানলেই জরিমানা

ওমানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট মানদণ্ড বেঁধে দিয়েছে। সেগুলো হলো—

আকারের সীমাযেকোনো ব্যাগ বা কার্টনের মোট পরিমাপ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ + উচ্চতা) সর্বোচ্চ ৬২ ইঞ্চি বা ১৫০ সেন্টিমিটারের মধ্যে হতে হবে। এর বেশি হলে অতিরিক্ত চার্জ বা জরিমানা গুনতে হয়।

কার্টনের আকৃতিকার্টন অবশ্যই চতুর্ভুজ বা আয়তাকার হতে হবে। মালামাল বেশি নেওয়ার আশায় গোল করে বা অস্বাভাবিক আকৃতিতে প্যাক করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

দড়ি বা রশি ব্যবহার নিষিদ্ধঅনেক বাংলাদেশি কার্টন বাঁধতে দড়ি বা রশি ব্যবহার করেন। কিন্তু এটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। কেবল স্বচ্ছ বা ক্লিয়ার টেপ ব্যবহার করার অনুমতি রয়েছে।

কাপড় মোড়ানো যাবে নাকার্টনের চারপাশে কাপড় জড়িয়ে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রবণতাও দেখা যায়। বিমানবন্দরের নিয়ম অনুযায়ী এটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কেন বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন বাংলাদেশিরা?

প্রবাসীদের বড় অংশ এসব আন্তর্জাতিক মানের লাগেজ প্যাকিং নীতিমালা সম্পর্কে আগে থেকে অবগত নন। দেশে বা ট্রাভেল এজেন্সির কাছ থেকে সঠিক নির্দেশনা না পাওয়ায় তারা নিয়ম ভঙ্গ করে বিমানবন্দরে পৌঁছান। ফলে চেকইন কাউন্টারে ধরা পড়লে জরিমানা, অতিরিক্ত ফি কিংবা কখনো কখনো পুনরায় প্যাকিং করাতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাত্রার আগে এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দরের লাগেজ পলিসি ভালোভাবে জেনে নিলে এই অপ্রয়োজনীয় অর্থক্ষতি সহজেই এড়ানো সম্ভব।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত