ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ব্রেকিং নিউজ : চাকরি চলে যেতে পারে যে সকল শিক্ষকদের

২০২৫ ডিসেম্বর ০৩ ১৯:০৩:৩৬

ব্রেকিং নিউজ : চাকরি চলে যেতে পারে যে সকল শিক্ষকদের

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করে বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে রাখার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কঠোর নির্দেশ দিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবিলম্বে কাজে যোগদান না করলে শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিকের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কাজ শুরু করতে হবে। অন্যথায়, আইন অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ অনুযায়ী, শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য শাস্তি হতে পারে তিরস্কার থেকে শুরু করে চাকরি থেকে বরখাস্ত পর্যন্ত। লঘু দণ্ডের মধ্যে রয়েছে তিরস্কার, পদোন্নতি বা বেতন স্থগিতকরণ, এবং সরকারি সম্পত্তির ক্ষতির ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ। গুরুদণ্ডের মধ্যে রয়েছে নিম্ন পদে অবনমিতকরণ, বাধ্যতামূলক অবসর বা চাকরি থেকে বরখাস্ত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১৩তম গ্রেড থেকে ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই পে-কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে আছে। এছাড়া প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি এবং ১০ ও ১৬ বছর চাকরি শেষে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয় অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন করেছে।

তবে, কিছু শিক্ষক সংগঠন চলমান বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ঝুঁকিতে ফেললে সেটি সরকারি চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।

দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌনে চার লাখের বেশি শিক্ষক কর্মরত। সহকারী শিক্ষকদের অনুমোদিত পদ ৩ লাখ ৬৯ হাজার, যার মধ্যে বর্তমানে ৩ লাখ ৫২ হাজার শিক্ষক কর্মরত। শিক্ষকরা দাবি করেছেন জাতীয় বেতন স্কেলে ১১তম গ্রেড, উচ্চতর গ্রেডে পদোন্নতি এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত