ঢাকা, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

চট্টগ্রাম কাঁপাচ্ছে ৬ জন, আতঙ্কে শহরবাসী

২০২৫ নভেম্বর ০৮ ০৮:২৯:২২

চট্টগ্রাম কাঁপাচ্ছে ৬ জন, আতঙ্কে শহরবাসী

চট্টগ্রাম নগরীজুড়ে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে সন্ত্রাসী তৎপরতা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চট্টগ্রামের অপরাধজগৎ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ছয় শীর্ষ সন্ত্রাসী— সাজ্জাদ আলী (বড় সাজ্জাদ), সাজ্জাদ হোসেন (ছোট সাজ্জাদ), রায়হান আলম, মোবারক হোসেন ইমন, শহিদুল ইসলাম বুইস্যা ও ইসমাইল হোসেন টেম্পু।

তাঁদের অনুসারীরা দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাণিজ্য ও মাদক কারবারে লিপ্ত। এরই মধ্যে সংঘটিত হয়েছে একাধিক হত্যাকাণ্ড, যা আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে বায়েজিদ বোস্তামী, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, হাটহাজারী ও রাউজান এলাকায়।

চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ডের ছয় শীর্ষ সন্ত্রাসী

নামঅবস্থানমামলার সংখ্যাবর্তমান অবস্থাবিশেষ তথ্য
সাজ্জাদ আলী (বড় সাজ্জাদ) ভারত ১২+ বিদেশে পলাতক ২০০৪ সালে বিদেশে পালান, সেখান থেকে চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করেন
সাজ্জাদ হোসেন (ছোট সাজ্জাদ) চট্টগ্রাম কারাগার ১৫+ গ্রেপ্তার ২০১৯ সালে অপরাধজগতে প্রবেশ; তাঁর নির্দেশে বাহিনী এখনো সক্রিয়
রায়হান আলম রাউজান-ফটিকছড়ি ১০+ পলাতক টার্গেট কিলার, ছোট ও বড় সাজ্জাদের হয়ে কাজ করে
মোবারক হোসেন ইমন চট্টগ্রাম ৯+ পলাতক শ্যুটার হিসেবে পরিচিত; রায়হানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী
শহিদুল ইসলাম বুইস্যা চান্দগাঁও ২০+ পলাতক ৪০ জনের বাহিনী পরিচালনা করে; এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে
ইসমাইল হোসেন টেম্পু চট্টগ্রাম কারাগার অসংখ্য গ্রেপ্তার বুইস্যা বাহিনীর সহযোগী; বর্তমানে জেলে

চট্টগ্রামের অপরাধ পরিস্থিতি সংক্ষেপে

গত ১৩ মাসে রাজনৈতিক বিরোধে ১৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে।

পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের আত্মগোপন কেন্দ্র রয়েছে।

মোটরসাইকেল ব্যবহার করে টার্গেট কিলিং পরিচালনা করছে তারা।

বড় সাজ্জাদ বিদেশে বসে নিয়ন্ত্রণ করছেন চট্টগ্রামের অপরাধচক্র।

ছোট সাজ্জাদ কারাগারে থাকলেও তাঁর বাহিনী এখনো সক্রিয়।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ বলেন,

“সন্ত্রাসীরা পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকে, সেখান থেকে বের হয়ে এসে ঘটনা ঘটিয়ে আবার পালিয়ে যায়। আমরা তাদের ধরতে একাধিক অভিযান চালাচ্ছি।”

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত