ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জয়ের জন্য শেষ ৩৮ বল থেকে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও

২০২১ সেপ্টেম্বর ০১ ১৮:২৫:৩৮

জয়ের জন্য শেষ ৩৮ বল থেকে বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩.৪ ওভারে ৩ উইকেটে৫৫ রান।

নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামেন নাঈম শেখ ও লিটন দাস। ইনিংসের দ্বিতীয় ও কোল ম্যাককনির করা প্রথম ওভারের প্রথম বলেই ১ রানে আউট হন নাঈম। এর ফলে অভিষেকে প্রথম বলেই উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েন ম্যাককনি।

পরের ওভারে আইজাজ প্যাটেলের বলে এগিয়ে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হন ১ রান করা লিটন।

দিনের শুরুতে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন ব্ল্যাকক্যাপস অধিনায়ক টম লাথাম। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারের কোটাও পূরণ করতে পারেনি কিউইরা।

১৬.৫ ওভারে অল আউট হওয়ার আগে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৬০ রান। এটি নিউজিল্যান্ডের টি-২০ ইতিহাসে সর্বনিম্ন রান। একই সঙ্গে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মাঝেও সর্বনিম্ন।

এর আগে নিউজিল্যান্ড সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডও ছিল ৬০ রানে অল আউট। ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে শ্রীলংকার বিপক্ষে ১৫.৩ ওভারে ৬০ রান করেছিল তারা। এর আগে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৬২ রানে অল আউটের লজ্জা দিয়েছিল টাইগাররা।

কিউইদের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রাচীন রবীন্দ্র ও টম ব্লান্ডেল। এ ম্যাচেই রবীন্দ্রের অভিষেক হয়েছে। শুরুটা হয়তো ভালো করার স্বপ্ন ছিল তার। কিন্তু মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই মাহেদী হাসানের কাছে কট এন্ড বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এরপর সাকিব আল হাসান বোলিংয়ে এসেই ফেরান ৫ রান করা উইল ইয়ংকে। পরের ওভারে জোড়া আঘাত হানেন নাসুম আহমেদ। ব্লান্ডেল ২ ও কলিন ডি গ্রান্ডহোম মাত্র ১ রানে আউট হয়ে যান।

শুরুর ৪ উইকেট হারানোর সময় স্কোরবোর্ডে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৯ রান। এমতাবস্থায় বিপর্যয় এড়াতে লড়াই করেন টম লাথাম ও হেনরি নিকোলস। দুজনে গড়েন ৩৪ রানের জুটি।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৮ রান করে আউট হন লাথাম। নিকোলস করেন ১৭ রান। আর কেউই ২ অঙ্কের ঘরে রান করতে পারেননি। নিয়মিত আসা যাওয়ার মাঝে ৬০ রানেই অল আউট হয় কিউইরা।

বাংলাদেশের পক্ষে একাই ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া সাকিব আল হাসান, নাসুম আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট নেন।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত