ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বিসিবির খরচের হাত এত লম্বা
এছাড়া বিভিন্ন স্পন্সর ও অন্যদের কাছে ১ কোটি ৯ লাখ ২৭ হাজার ৫১০ টাকা পাওনা আদায় করতে না পারায় অডিটে অনাদায়ী সঞ্চিতি দেখানো হয়েছে। এত ব্যয় কেন এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বিসিবি বলছে করোনাকালে কোনো কাজ করতে পারেনি তারা। অথচ, এই সময়ে খরচের খাতা দেখলে চোখ কপালে উঠবে! ২০২০-২০২১-এ বিসিবির আয় ধরা হয়েছে ২২৪,৯৫,৮৫,০০০ টাকা। এই সময়ে খরচ দেখানো হয়েছে ২০৩,৬৮,১১,৭২৬ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিসিবির আয় হয়েছে ২৪৩,৬১,৫৮,৭৭২ টাকা। এই সময়ে ব্যয় হয়েছে ১৮৮,৫১,৪৯,৭৯৫ টাকা। অথচ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২২৩,৭৩,৪৭,০২১ টাকা আয় হয়েছে। বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ১৭১,৫৮,৭৫,৮৬৭ টাকা। করোনায় দীর্ঘদিন মাঠে ক্রিকেট না থাকলেও বিসিবির আয়ে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। এত অর্থ কোথায় ব্যয় হলো সেটাই বড় প্রশ্ন। তবে করোনার মধ্যেও সর্বশেষ তিন বছরে বিসিবির আয় বাড়বে প্রায় তিনগুণ।
বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি পাঁচতারা হোটেলে হয়ে গেল বিসিবির দশম বার্ষিক সাধারণ সভা। সভায় বিসিবির আর্থিক বিষয়গুলো বিতর্ক ছাড়াই পাশ হয়েছে। কাউন্সিলরদের সন্তুষ্ট করার জন্য বিসিবি চোখধাঁধানো উপহার দিয়েছে। সভায় জেলার কাউন্সিলররা দশ লাখ টাকা করে বার্ষিক অনুদান চেয়েছেন। তারা বছরে পেয়ে থাকেন দুই লাখ টাকা। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান কাউন্সিলরদের জানিয়েছেন, নিয়মিত জেলা লিগ আয়োজন না করলে বরাদ্দ করা অর্থ থেকে কেটে নেওয়া হবে। এজিএমে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে মাঠ কেনা। শিশুদের খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিসিবি নিজস্ব অর্থে জমি কিনে মাঠ তৈরি করবে। নাজমুল হাসান বিসিবির সভাপতি হওয়ার পর আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থা করার কথা বলে আসছেন। তবে এখন বিসিবির কাছে এটা করা খুবই কঠিন বলে মনে হচ্ছে।
এদিকে আইপিএলের প্রথম ও দ্বিতীয় আসরে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছে বকেয়া ছিল ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৪০ টাকা। পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম আসরে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছে বকেয়া ৫ কোটি ৬৪ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৩ টাকা। এই অর্থ আর আদায় করা সম্ভব হবে না ধরে নিয়ে বিসিবি তা মওকুফ করে দিয়েছে।
২০১৯-২০ অর্থবছরে বিসিবির কাছে স্থিতি আছে ৮৩২ কোটি ৬৮ লাখ ৬৭ হাজার ১০ টাকা। দুই বছর আগের চেয়ে যা প্রায় দেড়শ কোটি টাকা বেশি। বিসিবি ২০১৯-২০ অর্থবছরে এফডিআর থেকে সুদ হিসাবে পেয়েছে ৫৪ কোটি ৭৮ লাখ ৫ হাজার ১২১ টাকা। এই অর্থবছরে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে ৫২ কোটিরও বেশি। চলতি বছরে বিসিবি ২১ কোটিরও বেশি টাকা উদ্বৃত্ত রাখার আশা করছে। শ্রীলংকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড যেখানে অর্থের জন্য হাহাকার করছে, সেখানে বিসিবি তিন বছরের হিসাবে প্রায় ছয়শ কোটি টাকার লেনদেনের হিসাব পাশ করেছে এই এজিএমে। অর্থের ঝনঝনানির পরও বাংলাদেশের ক্রিকেট কাঠামোর কতটা উন্নতি হয়েছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেল।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- একলাফে কমলো তেলের দাম, ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ ধস
- নবম পে স্কেলে বড় চমক
- ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম প্রধানমন্ত্রীর
- আকাশচুম্বী সোনার দাম: বাংলাদেশে ভরি প্রতি নতুন রেকর্ড ছাড়ালো
- ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর? ২০ গ্রেডের চাকরিজীবীদের জন্য থাকছে যেসব বড় সুবিধা
- ব্রাজিল বনাম মিশর ম্যাচের সময়সূচি জানুন
- বাংলাদেশ-ভারত মহারণসহ ৩১ মে’র জমজমাট খেলার সূচি, রাতে আইপিএল ফাইনাল
- রিয়াদের অবস্থা খুব খারাপ
- আজ রাতে ব্রাজিল বনাম পানামা ম্যাচ: লাইভ দেখার উপায় ও সময়সূচি
- আর্জেন্টিনা বনাম হন্ডুরাস: জেনেনিন মাচের সময়সূচি
- রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল, পানামা ম্যাচটি যেভাবে দেখবেন লাইভ
- টানা তিন দফা কমল সোনার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি নেমে এলো
- বাংলাদেশ বনাম ভারত: ৯০ মিনিটের খেলা শেষ, জানুন ফলাফল
- ব্যাপক চমকে শেষ হলো বাংলাদেশ বনাম ভারত ম্যাচ
- বাংলাদেশ বনাম ভারত লাইভ: প্রথমার্ধ শেষ, জানুন ফলাফল