ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আমি যে জেলার হয়ে কখনো খেলিনি তারা আমাকে কিভাবে নিষিদ্ধ করে

২০২১ আগস্ট ১৯ ২১:২৪:১৫

আমি যে জেলার হয়ে কখনো খেলিনি তারা আমাকে কিভাবে নিষিদ্ধ করে

বিতর্কের শুরু ‘নাসুম সুনামগঞ্জ জেলা দলে নিষিদ্ধ’-এমন খবরে।এরপর নাসুম আহমেদ সিলেট নাকি সুনামগঞ্জ জেলার ক্রিকেটার, এ নিয়েও রীতিমত দুই জেলার ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চলে নীরব যুদ্ধ। অবশেষে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন নাসুম। নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন সিলেটেই বেড়ে ওঠা ক্রিকেটার হিসেবে।

আজীবন নিষিদ্ধ’ হওয়ার খবরে বিস্মিত নাসুম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমার জন্ম, বড় হওয়া, পড়ালেখা কিংবা ক্রিকেট খেলা, সবকিছুই সিলেটে। আমার বাবার জন্মও সিলেটে। একসময় আমার দাদাবাড়ি সুনামগঞ্জ জেলায় ছিল। কিন্তু আমার দাদা ১৯৫৮ সালে সিলেটে স্থায়ীভাবে চলে আসেন। ছোটবেলা সুনামগঞ্জে একবার গিয়েছিলাম এবং রাস্তাঘাটও ঠিক ভাবে চিনিনা ওখানকার। পরবর্তীতে ওখানকার একটা টুর্নামেন্টে একবার ‘খ্যাপ’ খেলতে গিয়েছিলাম।’

যেখানে সুনামগঞ্জের হয়ে কখনও খেলিনি সেখানে নিষিদ্ধ কিভাবে হই- এমন প্রশ্ন রেখে তিনি আরো লিখেন, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদে হয়তো অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছেন আমি আমার জেলা দলে নিষিদ্ধ। কিন্তু আমি যে জেলার হয়ে কখনো খেলিনি তারা আমাকে কিভাবে নিষিদ্ধ করে? ২০০৫ সালে ১১ বছর বয়সে আমি পেশাগতভাবে ক্রিকেট শুরু করি এবং ওই বছর জেলা ক্রিকেটে সুনামগঞ্জের কোন দলই ছিল না। তখন থেকে সবসময়ই সিলেটের হয়ে খেলেছি। সিলেট লীগে খেলেছি ২০০৬ সাল থেকে এবং সিলেট জেলা দলে খেলেছি ৩ বছর, আর বিভাগীয় দলে ২০১০ সাল থেকে।’

নাসুম আহমেদ দেশের হয়ে ইতিমধ্যেই ৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ১৮.৬০ স্টাইক রেটে নিয়েছেন ১০ উইকেট। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইগার স্পিনে অন্যতম অস্ত্র ছিলেন বাঁ-হাতি অর্ধোডক্স স্পিনার নাসুম। তার সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য ভক্ত-সমর্থকদের কাছে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য দোয়া চেয়ে লিখেন, ‘আল্লাহ্‌ এর অশেষ রহমতে আমি বাংলাদেশ দলে সুযোগ পেয়েছি এবং ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যেতে সবার দু’য়া কামনা করি।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত