ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাঞ্জু স্যামসনের অনবদ্য ইনিংসের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

২০২৬ মার্চ ০২ ১১:৫৭:০১

সাঞ্জু স্যামসনের অনবদ্য ইনিংসের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক দুর্দান্ত ইনিংস খেললেন Sanju Samson। ২৬ বলেই অর্ধশতক তুলে নিলেও তিনি তারপর আক্রমণ নয়, বেছে নিলেন শান্ত ও পরিপক্ব ইনিংস গড়া। নতুন করে গার্ড নেওয়া, সময় নেওয়া—সব মিলিয়ে তাঁর ব্যাটিংয়ে দেখা গেল অভিজ্ঞতার ছাপ।

হাফ সেঞ্চুরির পর তিনি আরও ধীরস্থির হয়ে দলকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নেন। ৫০ বলে ৯৭ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস খেলেন তিনি এবং ভারতের জয়ে বড় অবদান রাখেন। সেই সঙ্গে ম্যাচ–সেরার পুরস্কারও ওঠে তাঁর হাতে।

Xম্যাচ শেষে স্যামসনের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

ম্যাচ শেষেই নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন স্যামসন—

“সত্যি বলতে, এটা আমার কাছে পুরো দুনিয়া পেয়ে যাওয়ার মতো। ছোটবেলা থেকে ভারতের জার্সি গায়ে খেলার যে স্বপ্ন দেখেছি, মনে হয় সেই দিনের অপেক্ষাতেই ছিলাম। আজ সত্যিই খুব কৃতজ্ঞ।”

তিনি আরও বলেন,“আমার পথচলায় অনেক উত্থান–পতন ছিল। কখনো কখনো নিজেকে নিয়ে সন্দেহও হয়েছে… কিন্তু নিজের ওপর বিশ্বাস রেখেছি। আল্লাহ/সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ, আজ আমাকে আশীর্বাদ করেছেন।”

দীর্ঘ অপেক্ষা, পরিশ্রম আর শেখার গল্প

আইপিএলে ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিত পারফরম্যান্স করলেও জাতীয় দলে নিয়মিত হওয়ার পথটা সহজ ছিল না তাঁর জন্য।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের পর দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে অপেক্ষা করতে হয়েছিল চার বছর।

ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০২১ সালে।

গড় ৫০–এর ওপরে, স্ট্রাইক রেট প্রায় ১০০—তবুও সুযোগ এসেছে অনিয়মিতভাবে।

এই বিশ্বকাপে বেশ কিছু ম্যাচ ডাগআউটে বসে থেকেও মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন। তাঁর ভাষায়—“আমি সিনিয়রদের দেখে শিখেছি—কোহলি, রোহিত আর অন্যান্য কিংবদন্তিদের কীভাবে খেলার প্রতিটি ক্ষণে মনোযোগ থাকে, সেটা বুঝেছি। সেগুলো আমাকে আরও পরিপক্ব করেছে।”

ম্যাচ পরিস্থিতির ব্যাখ্যা

স্যামসন জানালেন, আগের ম্যাচে তাঁদের লক্ষ্য ছিল বড় স্কোর, তাই শুরু থেকেই আক্রমণ করেছিলেন। তবে এই ম্যাচ ছিল ভিন্ন—“এবার আমার লক্ষ্য ছিল জুটি গড়া, নিজের ছন্দে থাকা। কখনো ভাবিনি এত বিশেষ কিছু করব… মনে হয় জীবনের সেরা দিনগুলোর একটি কাটালাম।”

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত