ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারাল আয়ারল্যান্ড

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১৮:০৫:৪৮

এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারাল আয়ারল্যান্ড

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনো কোনো দল তিন শ'-র মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেনি। তবে চলতি আসরে আবারও দুইশর ঘর পেরোনোর ঘটনা দেখা গেল। আয়ারল্যান্ড এবার এই আসরের সর্বোচ্চ ২৩৫ রান তুলে ওমান-কে বড় ব্যবধানে ৯৬ রানে হারিয়েছে।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু না করলেও লরকান টাকারের ঝড়ো ব্যাটিং ম্যাচের চিত্র পুরো বদলে দেয়। ৫ উইকেটে আয়ারল্যান্ড বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ গড়ে। পরে জশ লিটলের সাফল্যময় বোলিংয়ে ১৮ ওভারেই ওমানের ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৯ রানে।

পাওয়ার প্লেতে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে ৪৭ রানে থেমে ছিল আয়ারল্যান্ডের স্কোরবোর্ড। ৬৪ রানে চার উইকেট পড়লে দলটি চাপে পড়ে। তবে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক টাকারের সঙ্গে গ্যারেথ ডিলানির জুটি দলকে উদ্ধার করে। ডিলানি ৩০ বলে ৫৬ রান করে আউট হলে ক্রিজে আসেন জর্জ ডকরেল, যিনি ডেথ ওভারগুলোতে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে মাত্র কয়েক ওভারেই ম্যাচের গতি পাল্টে দেন। শেষ দিকে আয়ারল্যান্ড তোলে আরও ৯৩ রান—যা বিশ্বকাপে ডেথ ওভারে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

টাকার ও ডকরেলের ১৯ বলে ৭০ রানের জুটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান রেট (২২.১০) ধরে রাখে। অধিনায়ক টাকার শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি মিস করেন মাত্র ৬ রানের জন্য। ৫১ বলে ১০ চার ও ৪ ছয়ে তিনি অপরাজিত থাকেন ৯৪ রানে; যা অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। ডকরেল ৯ বলে ৫ ছয়ে অপরাজিত ছিলেন ৩৫ রানে।

অন্যদিকে ওমান শুরুতে ভালো অবস্থানে ছিল। ১০.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান তুলে তারা প্রতিযোগিতায় টিকে ছিল। কিন্তু আমির কালিম–হাম্মাদ মির্জার ৪৯ বলে ৭৩ রানের জুটি ভাঙার পর ধস নামে। শেষ সাত উইকেট হারায় মাত্র ৪২ রানের ব্যবধানে। কালিম করেন সর্বোচ্চ ৫০ রান, মির্জা যোগ করেন ৪৬। সুফিয়ান মেহমুদ করেন ১০ রান।

টুর্নামেন্টে এটাই আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় জয়, আর বিশ্বকাপেও তাদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত