ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আইসিসির চিঠি, এবার যা লেখা আছে এতে

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ০০:৩২:৫৭

আইসিসির চিঠি, এবার যা লেখা আছে এতে

আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামার সিদ্ধান্তে অনড় পাকিস্তান। রাজনৈতিক টানাপড়েনের জেরে পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে—১৫ ফেব্রুয়ারির ভারত–পাকিস্তান ম্যাচে দল খেলবে না। এমন অবস্থায় বিপাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), কারণ এই ম্যাচটি থেকে আসার কথা ছিল বিশাল অঙ্কের রাজস্ব।

এ মতো পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছে আইসিসি। ভারত ম্যাচ বয়কটের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে পিসিবিকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, পিসিবি আগে থেকেই আইসিসিকে ইমেইলে জানিয়ে রেখেছিল ভারত ম্যাচে না–নামার সিদ্ধান্তের কথা।

বড় শাস্তির ঝুঁকি নেই পাকিস্তানের

ক্রিকইনফোর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধের পরিস্থিতি কিংবা সরকারি নির্দেশের কারণে কোনো দল নির্দিষ্ট ম্যাচে অংশ নিতে না পারলে, তাকে আইনগতভাবে দায়ী করা যায় না। এই বিষয়টি আইসিসির টুর্নামেন্ট চুক্তিতেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।পাকিস্তান যে সরকারি পরামর্শে ম্যাচটি বয়কট করছে—একথা আগেই জানিয়েছে ইসলামাবাদ।

?? পাকিস্তান সরকারের ঘোষণা

পাকিস্তানের তথ্য অনুযায়ী—“সরকার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলের অংশগ্রহণে অনুমতি দিচ্ছে। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না।”

আইসিসির মূল উদ্বেগ—আর্থিক ক্ষতি

ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘হাই ভোল্টেজ’ সংঘর্ষ। এই ম্যাচ বিশ্বব্যাপী সম্প্রচার, স্পনসরশিপ ও বিজ্ঞাপন থেকে আইসিসিকে বিপুল অঙ্কের আয় এনে দেয়। ম্যাচটি বাতিল হলে যে আর্থিক ক্ষতি হবে, তার উল্লেখযোগ্য অংশ পিসিবিকে বহন করতে হতে পারে—চিঠিতে এমন ইঙ্গিতই দিয়েছে আইসিসি।

তবে একইসঙ্গে সংস্থাটি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে—“আমরা এই বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের সংঘাতে যেতে চাই না; সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানই কাম্য।”

বর্তমানে বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়লেও ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হলে পুরো ইভেন্টের শীর্ষ আকর্ষণই ভেঙে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত