ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অবিশ্বাস্য ঘটনা, ৪৩ চার ও ৭ ছক্কায় একাই করলেন অপরাজিত ৪০০ রান

২০২৬ জানুয়ারি ২৫ ১৯:৩৮:২১

অবিশ্বাস্য ঘটনা, ৪৩ চার ও ৭ ছক্কায় একাই করলেন অপরাজিত ৪০০ রান

আধুনিক ক্রিকেটে টেস্ট বা চার দিনের ম্যাচেও দলীয় ৪০০ রান এখন খুব সাধারণ ঘটনা নয়। সেখানে একজন ব্যাটসম্যানের একাই ৪০০ রান করা তো প্রায় রূপকথার মতোই। সেই রূপকথাকেই বাস্তবে পরিণত করলেন ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ক্রিকেটার রাজান দীপ।

কর্নেল সিকে নাইডু ট্রফিতে ঝাড়খান্ডের হয়ে মেঘালয়ের বিপক্ষে চার নম্বরে নেমে ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালান এই ডানহাতি ব্যাটার। ৩৮৭ বলের দীর্ঘ ইনিংসে তিনি অপরাজিত থাকেন ৪০০ রানে। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৩টি চার ও ৭টি ছক্কা—ধৈর্য, শক্তি ও নিখুঁত টাইমিংয়ের এক অনন্য প্রদর্শনী।

ঝাড়খান্ডের ইনিংস শুরুতেই ধাক্কা খায়। দলীয় স্কোর ৩০ হওয়ার আগেই দুই ওপেনার ফিরে যান। সেই চাপের মুহূর্তে তৃতীয় উইকেটে নাকুল যাদবের সঙ্গে ২৭৬ রানের বিশাল জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলেন রাজান। নাকুল করেন ১১৩ রান। এরপর শুব শর্মা, কোনাইন কুরাইশি ও নীতিন পান্ডের সঙ্গে একের পর এক বড় জুটি গড়ে রাজান ইনিংসকে নিয়ে যান ঐতিহাসিক উচ্চতায়।

বিশেষ করে শেষ দুই জুটিতে তার ব্যাটিং ছিল ভয়ংকর গতিময়। এক পর্যায়ে মেঘালয় দল বাধ্য হয় প্রায় সব ফিল্ডারকে দিয়ে বোলিং করাতে। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ৭০০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ঝাড়খান্ড। জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে মেঘালয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ৭ উইকেটে ৭৫ রান।

এই ইনিংসের মাধ্যমে কর্নেল সিকে নাইডু ট্রফির ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ৪০০ রানের মাইলফলক ছুঁলেন রাজান দীপ। তবে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড এখনো ইয়াশভার্ধান দালালের দখলে, যিনি গত বছর ৪২৮ রান করেছিলেন।

তবু আধুনিক লাল বলের ক্রিকেটে এমন ইনিংস নিঃসন্দেহে বিরল ও ঐতিহাসিক—যা রাজান দীপকে ভবিষ্যতের তারকা হিসেবে আলাদা করে তুলে ধরেছে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত