ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তানজিদের সেঞ্চুরিতে ফাইনালে রাজশাহীর দাপট, চট্টগ্রামের সামনে বিশাল রানের টার্গেট

২০২৬ জানুয়ারি ২৩ ১৯:৫৩:২৩

তানজিদের সেঞ্চুরিতে ফাইনালে রাজশাহীর দাপট, চট্টগ্রামের সামনে বিশাল রানের টার্গেট

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৬-এর ফাইনালে প্রথম ইনিংসেই ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রানের শক্ত সংগ্রহ গড়ে শান্ত-উইলিয়ামসনদের দল।

এই ইনিংসের নায়ক নিঃসন্দেহে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে দায়িত্বশীল ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে তিনি খেলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। ৬২ বলে ১০০ রান করেন তানজিদ, যেখানে ছিল ৬টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ছিল চোখ ধাঁধানো ১৬১-এর বেশি।

তার সঙ্গে শুরুতে দারুণ সঙ্গ দেন সাহিবজাদা ফারহান। তিনি করেন ৩০ রান। এরপর ক্রিজে এসে অভিজ্ঞ কেন উইলিয়ামসন মাত্র ১৫ বলেই ২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও শেষ দিকে দ্রুত ১১ রান তুলে স্কোর আরও এগিয়ে নেন। শেষ ওভারে জেমস নিশাম অপরাজিত থাকেন ৭ রানে।

চট্টগ্রামের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম। দুজনই নেন ২টি করে উইকেট। তবে মিডল ও ডেথ ওভারে রান আটকে রাখতে না পারায় রাজশাহী সহজেই ১৭০ পেরিয়ে যায়। বিশেষ করে মেহেদী হাসান ও আমের জামাল বেশ ব্যয়বহুল ছিলেন।

শেষ পাঁচ ওভারে রাজশাহী তোলে ৫৩ রান, যা ফাইনালের মোড় অনেকটাই ঘুরিয়ে দিয়েছে। ইনিংস বিরতিতে পরিসংখ্যান বলছে, শিরোপা জয়ের দৌড়ে রাজশাহীর সম্ভাবনা প্রায় ৬৬ শতাংশের কাছাকাছি।

এখন চট্টগ্রাম রয়্যালসের সামনে লক্ষ্য ১৭৫ রান। ফাইনালের চাপ, আলো ঝলমলে মিরপুর, আর বিপক্ষে তানজিদদের আত্মবিশ্বাস—সব মিলিয়ে শেখ মেহেদীর দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা। তবে টি-টোয়েন্টির খেলায় এক ওভারেই বদলে যেতে পারে গল্প। দেখার বিষয়, আসিফ আলী, নাঈম শেখরা সেই চ্যালেঞ্জ কতটা সামলাতে পারেন।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত