ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ব্যাটিং ধসে মুখ থুবড়ে পড়লো রংপুর

২০২৬ জানুয়ারি ২০ ১৫:২৩:৫৯

ব্যাটিং ধসে মুখ থুবড়ে পড়লো রংপুর

বাঁচা–মরার লড়াইয়ে নামা ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারল না রংপুর রাইডার্স। টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ থাকা সত্ত্বেও সিলেট টাইটান্সের বোলিং তোপের মুখে একের পর এক উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয় তারা। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের লড়াকু ইনিংসের ওপর ভর করেই কোনোমতে তিন অঙ্ক ছোঁয় রংপুরের স্কোরবোর্ড।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১১ রান তোলে রংপুর। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২৬ বলের তার ইনিংসটি ছিল মূলত ধস নামা ইনিংস সামাল দেওয়ার একান্ত চেষ্টা।

ইনিংসের শুরু থেকেই বিপর্যয়ের ছায়া নামে রংপুর শিবিরে। দ্বিতীয় ওভারেই খালেদ আহমেদের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তাওহিদ হৃদয়। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা এই ব্যাটার এদিন থামেন মাত্র ৪ রানে। একই ওভারে বিদায় নেন আরেক ওপেনার ডেভিড মালানও।

এরপর অধিনায়ক লিটন দাস ও কাইল মায়ার্সও ব্যর্থ হন বড় ইনিংস খেলতে। মাত্র ২৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়ে রংপুর। মিডল অর্ডারে খুশদিল শাহ ও মাহমুদউল্লাহ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও নাসুম আহমেদের ঘূর্ণিতে সেই জুটিও ভেঙে যায়।

নাসুম প্রথমে খুশদিল শাহকে ফেরান, পরে বিদায় দেন ইনিংসের সর্বোচ্চ রান করা মাহমুদউল্লাহকেও। এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি রংপুর। শেষদিকে নুরুল হাসান সোহানের ১৮ রানের ক্যামিওতে দলটি কোনোমতে ১১১ রানে পৌঁছায়।

সিলেট টাইটান্সের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন খালেদ আহমেদ। তিনি মাত্র ১৪ রান দিয়ে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। নাসুম আহমেদ ১২ রানে নেন ২ উইকেট, আর ক্রিস ওকস ১৫ রান খরচ করে তুলে নেন ২টি।

এলিমিনেটর ম্যাচের এই লড়াইয়ে জয়ী দল পা রাখবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে, আর হেরে যাওয়া দলের জন্য এখানেই শেষ হয়ে যাবে এবারের বিপিএল যাত্রা।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ