ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ; ভেঙ্গে গেল অতীতের সব রেকর্ড

২০২৫ ডিসেম্বর ৩১ ১৩:০২:৩৪

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ; ভেঙ্গে গেল অতীতের সব রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই অন্যরকম এক আবেগ। তবে ২০২৬ সালের আসরটি ফুটবল ভক্তদের জন্য নিয়ে আসছে এক বিশাল চমক। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের টিকিটের চাহিদা এখন আকাশচুম্বী। ফিফার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, টিকিট বিক্রির প্রথম ধাপের মাত্র দুই সপ্তাহে ১৫ কোটিরও বেশি মানুষ আবেদন করেছেন, যা ফিফার প্রাথমিক সরবরাহের তুলনায় প্রায় ৩০ গুণ বেশি।

কেন এই অভূতপূর্ব সাড়া?

ফুটবল বোদ্ধাদের মতে, ২০২৬ বিশ্বকাপটি হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। তিন দেশের ১৬টি শহরে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ৪৮টি দল অংশ নেওয়ায় বিশ্বের অনেক নতুন দেশ এবার বিশ্বমঞ্চে নামার সুযোগ পাবে, যা দর্শকদের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই সাড়াকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “মাত্র ১৫ দিনে ১৫ কোটির বেশি আবেদন প্রমাণ করে যে ফুটবল বিশ্বের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ের কতটা গভীরে রয়েছে। ২০০টিরও বেশি দেশ থেকে ভক্তরা আবেদন করছেন, যা এই আসরকে ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্টে পরিণত করবে।”

লটারির মাধ্যমে মিলবে টিকিটটিকিটের এই বিশাল চাহিদার কারণে ফিফা ‘র‌্যান্ডম সিলেকশন ড্র’ বা লটারি পদ্ধতি অনুসরণ করছে। গত ১১ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। ফিফা স্পষ্ট করেছে যে, কে কত আগে আবেদন করেছেন সেটি বড় বিষয় নয়; বরং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করা সব বৈধ আবেদনের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।

পরবর্তী সুযোগ কখন?যারা এই প্রথম ধাপে টিকিট পাবেন না, তাদের জন্য নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। ২০২৬ সালের ১১ জুন উদ্বোধনী ম্যাচের আগে ধাপে ধাপে আরও কয়েক দফায় টিকিট বিক্রির ঘোষণা দেবে ফিফা।ফুটবল মহাযজ্ঞের এই টিকিট যুদ্ধ প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, ১৯৩০ সালে শুরু হওয়া বিশ্বকাপের ইতিহাস এবার এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে যাচ্ছে। ১৬টি ভেন্যুতে ১০৪টি যুদ্ধের সাক্ষী হতে এখন প্রহর গুনছে কোটি কোটি ফুটবল প্রেমী।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত