ঢাকা, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

নতুন বিপদে বাংলাদেশ ক্রিকেট, চলছে সমাধানের কাজ

২০২৫ অক্টোবর ৩০ ১৭:০০:২৫

নতুন বিপদে বাংলাদেশ ক্রিকেট, চলছে সমাধানের কাজ

টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটের মূল দর্শনই দ্রুত রান তোলা ও স্ট্রাইক রোটেশন। সেখানে বারবার ডট বল খেলে নিজেরাই ম্যাচ থেকে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। আধুনিক ক্রিকেটে যেখানে প্রতিটি বল কাজে লাগানো জরুরি, সেখানে লিটন দাস ও তাঁর ব্যাটিং ইউনিট এখনও সেই ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না।

প্রথম দুই ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ ব্যাটাররা খেলেছেন প্রচুর ডট বল। প্রথম টি–টোয়েন্টিতে ১২০ বলের মধ্যে ৪৮টি ডট, দ্বিতীয় ম্যাচেও সংখ্যাটা একই! বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে রান তুলতে না পারায় ইনিংসের গতি থমকে যায়। ফলে শেষের দিকে বড় শট খেলতে গিয়ে ব্যাটাররা পড়ছেন বাড়তি চাপে।

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৮ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলেও বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ম্যাচ শেষে তিনি স্বীকার করেন, ডট বল কমাতে না পারাই দলের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর ভাষায়, “যদি আমরা মাঝের ওভারগুলোতে স্ট্রাইক রোটেট করতে পারতাম, তাহলে চাপটা অনেকটাই কমে যেত। এখন আমাদের বুঝে নিতে হবে কীভাবে ডট বলের সংখ্যা কমিয়ে খেলাটাকে এগিয়ে নেওয়া যায়।”

বাংলাদেশ ব্যাটিং ইউনিটের আরেকটি দুর্বলতা হলো—শুরুটা ভালো করলেও মাঝপথে থমকে যাওয়া। শেষ পাঁচ ওভারে যেখানে প্রয়োজন ছিল ৫০ রান, সেখানে স্বাগতিকরা তুলতে পেরেছিল মাত্র ৩৫। বিশেষ করে তানজিদ ও জাকের আলীর জুটিতে ৩০ বলে এসেছিল ৩২ রান, যা বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।

তানজিদের মতে, ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। “হয়তো আমরা একটা খারাপ সময় পার করছি। ব্যাটাররা নিয়মিত পারফর্ম করতে পারছে না। আমাদের বসে আলোচনা করতে হবে—কীভাবে মিডল ওভারগুলোতে আরও সক্রিয় হওয়া যায় এবং রান তোলার গতি বাড়ানো যায়,” বলেন তিনি।

বোলিং বিভাগ বরাবরই বাংলাদেশের শক্তি হিসেবে কাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়েও বোলাররা ধারাবাহিকভাবে ভালো করছেন। কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতায় দল জয়ের স্বাদ পাচ্ছে না। তানজিদ মনে করেন, এবার দায়িত্ব নিতে হবে ব্যাটারদের। তাঁর ভাষায়, “আমাদের বোলাররা বিশ্বমানের পারফর্ম করছে। এখন সময় এসেছে ব্যাটারদেরও সেই মানে খেলতে শেখার।”

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ