ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

চরম সতর্কতা! সোনার দাম কত বাড়তে পারে যা আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না ”

মো : মারুফ হোসেন
মো : মারুফ হোসেন

সিনিয়র রিপোর্টার

২০২৫ অক্টোবর ১২ ১৮:৪৩:৫৭

চরম সতর্কতা! সোনার দাম কত বাড়তে পারে যা আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না ”

আগামী ১০ বছরে সোনার দাম কত হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন। কারণ সোনার মূল্য নির্ধারণ হয় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয়ের মতো বিভিন্ন জটিল কারণে।

তবে বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী বছরগুলোতে সোনার দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক বাজারের পূর্বাভাসগোল্ডম্যান শ্যাক্সসহ কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ২,৯০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। এটি বর্তমান (২০২৫ সালের অক্টোবর) মূল্যের তুলনায় প্রায় ২২.৫% বৃদ্ধি।

কিছু উচ্চাভিলাষী পূর্বাভাসে দেখা যায়, বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগকারী রবার্ট কিয়োসাকি মনে করছেন ২০৩৫ সালের মধ্যে সোনার দাম প্রতি আউন্স ৫,০০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

মধ্যমেয়াদে (২০৩০ সাল নাগাদ) সোনার দাম প্রতি আউন্স প্রায় ৪,০০০–৪,৫০০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে।

???????? বাংলাদেশের বাজারে সম্ভাব্য বৃদ্ধিবাংলাদেশে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ২২ ক্যারেট এক ভরি সোনার দাম ২,০৯,১০১ টাকা।

গত দশকে (২০১০–২০২০) দেশের সোনার দাম প্রায় ৮২% বৃদ্ধি পেয়েছিল।

বিশেষজ্ঞদের অনুমান অনুযায়ী, যদি বর্তমান প্রবৃদ্ধি বজায় থাকে, তবে ২০৩৫ সালের মধ্যে এক ভরি সোনার দাম ৫ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকার মধ্যে পৌঁছানো অসম্ভব নয়।

দাম বৃদ্ধির কারণবিশেষজ্ঞরা পাঁচটি মূল কারণে সোনার দাম বৃদ্ধি পেতে পারে বলে মনে করছেন:

মুদ্রাস্ফীতি (Inflation): বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই মানুষ সম্পদের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখতে সোনা কিনছেন।

ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা: যুদ্ধ, সংঘর্ষ ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিমুক্ত সম্পদ হিসেবে সোনা খুঁজছেন।

মার্কিন ডলারের দুর্বলতা: ডলারের মান কমলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বাড়ে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয়: বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিপুল পরিমাণ সোনা কিনছে, যা চাহিদা বাড়ায়।

সরবরাহ সংকট: সোনার উৎপাদন সীমিত, চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাউপরের সমস্ত পূর্বাভাস সম্ভাবনার ভিত্তিতে তৈরি। বাস্তবে সোনার দাম যেকোনো সময় অর্থনৈতিক নীতি, আন্তর্জাতিক ঘটনা বা বাজারের তারল্য পরিবর্তনের কারণে কমতে বা বাড়তে পারে। বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত