ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাতারাতি রিপোর্টার থেকে টিভি চ্যানেলের মালিক: ড. রাকিব হাসান

২০২৫ অক্টোবর ০৯ ১১:০২:০৬

রাতারাতি রিপোর্টার থেকে টিভি চ্যানেলের মালিক: ড. রাকিব হাসান

ইয়ুথ লিডার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. রাকিব আল হাসান সম্প্রতি একটি টক শোতে বক্তব্যে বলেছেন, “কিভাবে একজন সাধারণ টেলিভিশন রিপোর্টার রাতারাতি একটি চ্যানেলের মালিক হয়ে যেতে পারে, এটা আমি ভাবতে পারছি না। একজন রিপোর্টার থেকে চ্যানেলের মালিক হওয়ার পেছনে যে অর্থের যোগান আসে, তা নিয়মিত মিডিয়ার বাস্তবতা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।”

তিনি বলেন, “আমি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে বসে আছি। সাধারণ সংবাদকর্মী বা রিপোর্টার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে আমার। আপনি জানেন, একটি চ্যানেল মেইনস্ট্রিম মিডিয়াতে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রচুর বিনিয়োগ লাগে। অথচ হঠাৎ করে কিছু নেতা রাতারাতি মালিক হয়ে গেল। এটা পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ মনে হয়।”

ড. রাকিব আরও উল্লেখ করেন, “আপনি যখন পাওয়ার প্র্যাকটিস করবেন, নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করবেন বা বিরোধিতা করবেন, তখনই দেখা যায় যে পুরনো বন্দোবস্ত এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। এই জগাখিচুড়ির মধ্যেই এনসিপি রয়েই গেছে।”

তিনি মন্তব্য করেন, “যদি এনসিপি পুরোপুরি মেইনস্ট্রিম রাজনীতি করত এবং তাদের রাজনৈতিক ফোকাস থাকত, তাহলে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতো।”

ড. রাকিব বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যে উপদেষ্টা আছে, তাদের মধ্যে কারো বিরুদ্ধে বড় ধরনের আর্থিক অভিযোগ আসেনি। যারা অভিযোগের শিকার হয়েছে, তারা অপেক্ষাকৃত তরুণ উপদেষ্টা। উদাহরণস্বরূপ, আসিফ মাহমুদের এপিএস পাসপোর্ট জব্দ হয়েছে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আসেনি। হাসিনার আমলেও আমরা একই ধরনের প্রবণতা দেখেছি—কয়েকজন পিয়ন বড় অর্থের মালিক হয়ে যায়, কিন্তু মনিব ঠিক অবস্থানে থাকে। নতুন বন্দোবস্তে এমন পরিস্থিতি আরও স্পষ্টভাবে দেখা যেত।”

ড. রাকিব আল হাসানের বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে, মিডিয়া ও রাজনৈতিক শক্তি নিয়ন্ত্রণের জটিলতা এবং রাতারাতি অর্জিত ক্ষমতা ও সম্পদের পিছনের বাস্তবতা কতটা জটিল ও বিতর্কিত।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত