ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাংলাদেশের সাহসী পদক্ষেপে কাঁপছে ভারত

২০২৫ মে ০৩ ১০:০৩:১১

বাংলাদেশের সাহসী পদক্ষেপে কাঁপছে ভারত

তিস্তা নদীকে ঘিরে বাংলাদেশের একটি সাহসী সিদ্ধান্ত এবং চীনের প্রত্যক্ষ সহায়তা দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক মানচিত্রে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, ভারতের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ এবং "ভ্রাতৃসুলভ প্রতারণা"র বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ নিজের অধিকার আদায়ে এখন আর পিছপা নয়।

ভারতের অভিযোগের ইতিহাসবহু বছর ধরে তিস্তার পানি আটকে রেখে ভারত বাংলাদেশের কৃষি ও জনজীবনকে চরম ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

বন্যার সময় অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশে প্লাবনের সৃষ্টি করে।

বছরের পর বছর ধরে চুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিছুই বাস্তবায়ন করেনি, শুধু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অজুহাত দিয়ে সময় পার করেছে।

বাংলাদেশের পাল্টা জবাবচীনের সঙ্গে তিস্তা নদী পুনর্গঠন ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ।

এই প্রকল্পে থাকবে: কৃষিভিত্তিক SEZ (Special Economic Zone) আধুনিক বাঁধ ও রিজার্ভার নদী ব্যবস্থাপনা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ উত্তরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন

ভারতের উদ্বেগের মূল কারণসিলিগুড়ি করিডোরে ভারতের সুরক্ষা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

চীনের উপস্থিতি ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর সঙ্গে সংযোগ দুর্বল করে দিতে পারে।

বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত জোট দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।

জনমত ও রাজনৈতিক বার্তাভারতের "মিষ্টি কথার বন্ধুত্ব"কে "প্রতারণা" বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

ভিডিওতে বলা হয়, বাংলাদেশ এখন জানে কে বন্ধু আর কে প্রতারক।

এটি শুধু তিস্তা প্রকল্প নয়, বরং একটি বৃহৎ ভূরাজনৈতিক পালাবদলের সূচনা।

এখন বাংলাদেশ তার স্বার্থে সাহসী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, ভারতের অনুমতির প্রয়োজন নেই।

চূড়ান্ত বার্তাভারতের "দাদাগিরি" আর চলবে না।

বাংলাদেশের মানুষ উন্নয়ন, সম্মান ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছে।

চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাংলাদেশের উন্নয়নের বাস্তব উপায়, শুধু প্রতিশ্রুতির ভরসায় বসে থাকার দিন শেষ।

ভারতের হাতে আর সময় নেই। দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্বের ব্যাটন এখন বাংলাদেশে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত