Warning: Undefined variable $২০ in /home/sportshour24.com/public_html/all_data/all_news/article_single_115429.php on line 1

Warning: Undefined variable $২০ in /home/sportshour24.com/public_html/all_data/all_news/article_single_115429.php on line 3

Warning: Undefined variable $২০ in /home/sportshour24.com/public_html/all_data/all_news/article_single_115429.php on line 1

Warning: Undefined variable $২০ in /home/sportshour24.com/public_html/all_data/all_news/article_single_115429.php on line 3
প্রকাশ হল দেশের বর্তমান রিজার্ভ

ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রকাশ হল দেশের বর্তমান রিজার্ভ

২০২৪ জানুয়ারি ২১ ২২:৫৬:৪৭

প্রকাশ হল দেশের বর্তমান রিজার্ভ

এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, এটি ২৫.২৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। IMF-এর BPM-6 গণনা পদ্ধতি অনুসারে, এর মূল্য .০৩ বিলিয়ন।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। যাইহোক, পর্যালোচনাধীন সপ্তাহে কোন উল্লেখযোগ্য বিদেশী দায় পরিশোধ করা হয়নি। এ সময় প্রধানত ক্ষুদ্র আমদানি ব্যয় এবং বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা হয়। ফলে রিজার্ভ কিছুটা কমেছে।

এক সপ্তাহ আগে আইএমএফের হিসাবায়নে দেশে নিট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২০ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের পদ্ধতিতে তা ছিল ২৫ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার। বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত তহবিল ও অর্থায়ন যার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২৩ সাল শেষে রিজার্ভ বেড়ে ২৭ বিলিয়ন ডলারে ওঠে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধের পর তা কমে ২৫ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। সারা বিশ্বে প্রচলিত ও বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি আইএমএফের ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম ৬)। বিদায়ী বছর শেষে সেই অনুযায়ী, রিজার্ভ ছিল ২১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের শুরুতে যা কমে হয় ২০ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার।

২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। পরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম বেড়ে যায়। ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এতে দেশে ডলার সংকট তৈরি হয়। সেটা মেটাতে রিজার্ভ থেকে তা বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া নতুন করে ঋণ কম পায় বাংলাদেশ। ফলে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চায়ন কমে যায়।

গত ১৩ ডিসেম্বর তা কমে ১৯ দশমিক ১৭ বিলিয়নে নামে। তবে আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির ৬৯ কোটি ডলার, এডিবির ৪০ কোটি ডলার এবং বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ১০৪ কোটি ডলার পাওয়ায় রিজার্ভ বাড়ে। মূলত আইএমএফের শর্ত পূরণে সেটা বাড়ানোর চেষ্টা ছিল।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত