ঢাকা, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাংলাদেশিদের জন্য কুয়েত ভিসা নিয়ে জানা গেল নতুন নিয়ম ও খরচ

২০২৬ মে ০৯ ০০:২৪:১০

বাংলাদেশিদের জন্য কুয়েত ভিসা নিয়ে জানা গেল নতুন নিয়ম ও খরচ

Kuwait সরকার বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ভিসা কার্যক্রম চালু রেখেছে। বিভিন্ন উদ্দেশ্যে কুয়েত ভ্রমণের জন্য আলাদা আলাদা ভিসা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। আবেদনকারীরা কুয়েতের অফিসিয়াল ই-ভিসা প্ল্যাটফর্ম অথবা MOI অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই আবেদন করতে পারবেন।

বর্তমানে বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট, ফ্যামিলি ভিজিট, ওয়ার্ক ও বিজনেস—এই চার ধরনের ভিসা সবচেয়ে বেশি চালু রয়েছে। ট্যুরিস্ট ভিসায় সাধারণত ৩০ দিনের প্রবেশ অনুমতি দেওয়া হয় এবং সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থান করা যায়। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।

ফ্যামিলি ভিজিট ভিসার মাধ্যমে কুয়েতে থাকা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে কাজের উদ্দেশ্যে যেতে হলে ওয়ার্ক ভিসা বাধ্যতামূলক। ব্যবসায়িক সফরের জন্য স্বল্পমেয়াদি বিজনেস ভিসাও চালু রয়েছে।

২০২৫-২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, কুয়েত ই-ভিসার সরকারি ফি প্রায় ৮ কুয়েতি দিনার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৫ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। সার্ভিস চার্জসহ মোট খরচ প্রায় ৭০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া ওয়ার্ক ভিসার ক্ষেত্রে মেডিকেল চেকআপ, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য অতিরিক্ত খরচ যোগ হয়। মেডিকেল চেকআপে প্রায় ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা এবং ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য কুয়েতে বার্ষিক রেসিডেন্সি পারমিট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ কুয়েতি দিনার। তবে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কাজ নিয়ে যেতে মোট খরচ ১.৫ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা বা তার বেশি হতে পারে।

এদিকে কুয়েত সরকার ভিসা জালিয়াতি রোধে Kuwait Visa App ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভিসার সঠিকতা যাচাই করা সম্ভব। এছাড়া বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও সার্ভিস পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই কুয়েতে প্রবেশ করতে পারেন।

বর্তমানে দক্ষ শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন বেতন প্রায় ১৫০ কুয়েতি দিনার এবং অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য ৯০ থেকে ১২০ দিনার পর্যন্ত নির্ধারণ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত