ঢাকা, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

এইমাত্র শেষ হলো সিলেট ও চট্টগ্রামের ৩৮৮ রানের হাইভোল্টেজ ম্যাচ,দেখেনিন ফলাফল

২০২২ জানুয়ারি ২৯ ২১:১৩:২৮

এইমাত্র শেষ হলো সিলেট ও চট্টগ্রামের ৩৮৮ রানের হাইভোল্টেজ ম্যাচ,দেখেনিন ফলাফল

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ স্থানে থাকা দল দুটির লড়াই শুরু হয় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়। যেখানে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন সিলেট অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

তবে প্রতিপক্ষের সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণেই যেন মাঠে নামেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার কেনার লুইস ও উইল জ্যাকস। উদ্বোধনী জুটিতে ৫ ওভারের আগেই তারা যোগ করেন ৬২ রান। যেখানে সিংহভাগ অবদান ছিল জ্যাকসের।

চলতি বিপিএলের দ্রুততম ফিফটি হাঁকান জ্যাকস। তবে ফিফটির পরই আউট হন তিনি। এর আগে ১৯ বলে খেলেন ৫২ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস। লুইস অবশ্য এদিনও ব্যাট হাতে কিছু করতে পারেননি। ১২ বলে করেন ৮ রান।

এরপর যারাই নেমেছেন, খেলেছেন আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। শেষ দিকে ২১ বলে অপরাজিত ৪১ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করেন বেনি হাওয়েল।

বাকীদের মাঝে আফিফ হোসেন ২৮ বলে ৩৮, সাব্বির রহমান ২৯ বলে ৩১, নাঈম ইসলাম ৭ বলে ৮ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ৪ বলে অপরাজিত ১৩ রানের ইনিংস খেলেন।

সিলেটের হয়ে তাসকিন আহমেদ, সোহাগ গাজী, মোসাদ্দেক সৈকত, রবি বোপারা ও মুখতার আলি প্রত্যেকেই একটি করে উইকেট শিকার করেন।

২০৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শেস পর্যন্ত সিলেটের সংগ্রহ ২০ ওভার শেসে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান। ফলাফল : চট্টগ্রাম জয়ী ১৬ রানে।

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) চট্টগ্রাম পর্বের দ্বিতীয় দিনে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নেমেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও সিলেট সানরাইজার্স। এ ম্যাচে আগে ব্যাট করে বড় সংগ্রহ পেয়েছে চট্টগ্রাম।নির্ধারিত ২০ ওভারে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২০২ রান।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ স্থানে থাকা দল দুটির লড়াই শুরু হয় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়। যেখানে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন সিলেট অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

তবে প্রতিপক্ষের সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণেই যেন মাঠে নামেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার কেনার লুইস ও উইল জ্যাকস। উদ্বোধনী জুটিতে ৫ ওভারের আগেই তারা যোগ করেন ৬২ রান। যেখানে সিংহভাগ অবদান ছিল জ্যাকসের।

চলতি বিপিএলের দ্রুততম ফিফটি হাঁকান জ্যাকস। তবে ফিফটির পরই আউট হন তিনি। এর আগে ১৯ বলে খেলেন ৫২ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস। লুইস অবশ্য এদিনও ব্যাট হাতে কিছু করতে পারেননি। ১২ বলে করেন ৮ রান।

এরপর যারাই নেমেছেন, খেলেছেন আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। শেষ দিকে ২১ বলে অপরাজিত ৪১ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করেন বেনি হাওয়েল।

বাকীদের মাঝে আফিফ হোসেন ২৮ বলে ৩৮, সাব্বির রহমান ২৯ বলে ৩১, নাঈম ইসলাম ৭ বলে ৮ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ৪ বলে অপরাজিত ১৩ রানের ইনিংস খেলেন।

সিলেটের হয়ে তাসকিন আহমেদ, সোহাগ গাজী, মোসাদ্দেক সৈকত, রবি বোপারা ও মুখতার আলি প্রত্যেকেই একটি করে উইকেট শিকার করেন।

২০৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শেস পর্যন্ত সিলেটের সংগ্রহ ২০ ওভার শেসে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান। ফলাফল : চট্টগ্রাম জয়ী ১৬ রানে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত