ঢাকা, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

উসকে দিলেন পুরনো বিতর্ক, সৌরভকে একহাত নিলেন শাস্ত্রী

২০২১ ডিসেম্বর ১১ ২০:৩৩:৫০

উসকে দিলেন পুরনো বিতর্ক, সৌরভকে একহাত নিলেন শাস্ত্রী

২০১৪ সালে ইংল্যান্ড সিরিজে বিপর্যয়ের পর রবি শাস্ত্রীকে টিম ডিরেক্টরের পদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, কুম্বলে আসার পর তাঁকে বিনা কারণেই ওই পদ ছাড়তে বলা হয়। শাস্ত্রী’ বললেন, ‘আমাকে আচমকাই ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব ছেড়ে অল্প সময়ের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট দলের দায়িত্ব গ্রহণ করতে বলা হয়েছিল। এমন সিদ্ধান্তের কারণে আমার পায়ের তলা থেকে জমি সরতে শুরু করেছিল। কারণ যে বীজটা আমি এতদিন ধরে বপন করেছিলাম, সেইসময় তা সবেমাত্র ফল দিতে শুরু করেছিল। তারপর হঠাৎই আমি বুঝতে পারলাম যে আমাকে সরানো হচ্ছে। আমি এর কারণ কোনওদিন জানতে চাইনি। কিন্তু যেভাবে এই গোটা ঘটনাটির বাস্তবায়ন করা হয়, সেটা আমাকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়েছিল।’

সেইসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, ‘বোর্ডের একটা নির্দেশ পাওয়া মাত্রই আমি সব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি। তবে আরও ভালো উপায়ে আমাকে ব্যাপারটা সম্পর্কে জানানো উচিত ছিল। মুখের উপরে বলতেই পারত যে তোমাকে আমরা চাইছি না। তোমাকে আমরা পছন্দ করছি না। সেটা যদি সত্যি হয়, তাহলে আমি কিছু মনে করতাম না। আমি আবারও টেলিভিশনেই ফিরে যেতাম। কারণ সেটাই আমি সবথেকে বেশি ভালোবাসতাম।’

২০১৭ সালে বিরাট কোহলির সঙ্গে ঝামেলার পর অনিল কুম্বলে নিজের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। এরপর রবি শাস্ত্রীকে আবারও ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

এই প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ‘এরপর মাত্র ৯ মাস কেটেছিল। তার মধ্যেই শুনলাম যে দলের মধ্যে চরম অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমি তো ভাবতেই পারছিলাম না যে অশান্তির কারণটা কী হতে পারে। আমাকে বলা হয়েছিল, দলের মধ্যে সত্যিকারের সমস্যা রয়েছে। আমি তো আবার উলটে বলেছিলাম, ৯ মাসের মধ্যে কী এমন সমস্যা তৈরি হতে পারে? যে দলটাকে এত ভালো একটা জায়গায় রেখে আমি দায়িত্ব ছাড়লাম, সেটা এই ক’দিনের মধ্যে কীভাবে এমন বিগড়ে গেল?’

সবশেষে তিনি বললেন, ‘আমার কোচিংয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে প্রচন্ড ডামাডোলের মধ্যেই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম। আর যারা আমাকে তাড়ানোর জন্য একেবারে উঠেপড়ে লেগেছিল, এটা তাঁদের কাছে বেত্রাঘাতের সমান ছিল। যে মানুষটাকে তাঁরা দুরে ছুঁড়ে ফেলেছিল, সেদিন তার কাছেই আবার ফিরে আসতে হয়েছিল।’

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত