ঢাকা, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বিতর্ক উতরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মান বাচাল পাকিস্তান

২০২৪ মে ১৩ ১১:৩১:১০

বিতর্ক উতরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মান বাচাল পাকিস্তান

ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সর্বত্রই স্ট্রাইক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে শেষে স্টাইকরেট নিয়ে অনেক প্রশ্ন শুনতে হয়েছে বাংলাদেশ অধিনায়ককে। রানিং ফোয়ারা সত্ত্বেও স্ট্রাইক রেট নিয়ে বিতর্ক থেকে রেহাই পাচ্ছেন না বিরাট কোহলি। আয়ারল্যান্ডে পাকিস্তানের হারের পর বাবর আজমের স্টাইক রেট নিয়ে আলোচনা কম হয়নি। ব্যাটিং গড় সামনে এসেছে।

অনেক সমালোচনার পর, রিজওয়ান-ফখররা তাদের ব্যাটিংয়ের ঝলক দেখিয়েছেন। আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯ বল বাকি থাকতেই ১৯৩ রান করে পাকিস্তান। মোহাম্মদ রিজওয়ান ১৬৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন। ফখর জামানের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৯৫। উভয়কেই ছাড়িয়ে গেছেন আজম খান। ১০ বলে ৩০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন তিনি। স্ট্রাইক রেট ছিল ৩০০!

ডাবলিনে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ফখর ও রিজওয়ানের ব্যাটিংয়ে ১৯ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে আয়ারল্যান্ডকে ১৯৩ রানে ছাড়িয়ে যায় পাকিস্তান।

ফখর ৪০ বলে ৭৮ রান করে আউট হলেও রিজওয়ান ৪৬ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। ফখর মারেন ৬ ছক্কা আর রিজওয়ান মারেন ৪ ছক্কা। আজম খান ১০ বলে চার ছক্কায় ৩০ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তবে যাকে নিয়ে এত বিতর্ক আর আলোচনা সেই বাবর আজম ৪ বলে করেছেন শূন্য।

রান তাড়ায় প্রথম ওভারেই ঝড়ের আভাস দেয় পাকিস্তান। দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরে রানের খাতা খোলেন সাইম আইয়ু্ব। কিন্তু মার্ক অ্যাডাইরের করা পরের বলটিকে শর্ট মিডউইকেটের ফিল্ডার কার্টিস ক্যাম্ফারের হাতে তুলে দেন। এরপর উইকেট আসা অধিনায়ক বাবর আজম ফেরেন শূন্য রানে।

এরপরেই ডাবলিনে চলে রিজওয়ান এবং ফখরের ঝড়। তৃতীয় উইকেটে ১৪০ রান যোগ করেন দুজন। শুরু থেকে ঝড়োগতির ব্যাট করেছেন দুজন। তৃতীয় ওভার শেষে রান ছিল ২৩। সেটাই ৭ ওভার পর হয় ৭১। মাঝে তিন ওভারে ১০-এর কম রান এলেও পরে ঠিকই তা পুষিয়ে দেন দুজনে।

১১ এবং ১২ তম ওভারে আসে ২৭ রান। আর ১৩তম ওভার থেকে আসে ২১ রান। ৪০ বলে ৭৮ রান করা ফখর ফেরেন এরপরেই। ১৫৩ রানে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার। ফখর ফেরার পর ৩৩ বলে ৪১ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু ১৭তম ওভারে আজমের তিন ছক্কাই জিতিয়ে দেয় পাকিস্তানকে।

এর আগে ৩৪ বলে ৫১ রান করেন লোরকান টাকার বড় রানের ভিত গড়ে দেন আইরিশদের। এ ছাড়া হ্যারি টেক্টর ২৮ বলে ৩২ ও শেষ দিকে গ্যারেথ ডেলানি ১০ বলে ২৮ ও কার্টিস ক্যাম্ফার ১৩ বলে ২২ রান করেন। তাতেই আয়ারল্যান্ডের রান চলে যায় ১৯৩ পর্যন্ত।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ