ঢাকা, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

নাঈম শেখ ও দেশের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের অফ ফর্মের পেছনে দায় রয়েছে যার

২০২২ মার্চ ০৫ ১৮:৪০:৩৭

নাঈম শেখ ও দেশের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের অফ ফর্মের পেছনে দায় রয়েছে যার

চাপের মুহূর্ত কিভাবে সামাল দিতে হয় তা তরুণদের শেখার এবং বোঝার সুযোগ করে দেওয়া। বিশ্বের অন্যান্য দেশে ঠিকই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোর ফলে তরুণ ক্রিকেটাররা লাভবান হচ্ছে। ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশে, জাতীয় দলে সার্ভিস দিতে পারে এরকম অনেক ক্রিকেটারকেই এবারের বিপিএলে সাইড বেঞ্চে বসে থাকতে দেখা গেছে। সুযোগ না পাওয়াদের মধ্যে নাঈম শেখ অন্যতম। বিশ্বকাপের আগে হেড কোচ ডমিঙ্গোকে প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনার চোখে দেশের সেরা ওপেনার কে। ডমিঙ্গোর উত্তর ছিল নাঈম। আর সেই নাইমই কিনা বিপিএলে ঠিকমতো দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না।

নাঈম কে কখনো তিনে কখনো চারে এমনকি সাতেও ব্যাটিং করিয়েছে মিনিস্টার ঢাকা। প্রশ্ন করা যেতেই পারে যে নাইম ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্ণামেন্টে নিয়মিত সুযোগ পান না। সে কিভাবে জাতীয় দলের অটোমেটিক চয়েজ হন। অথচ নাঈমের ফ্র্যাঞ্চাইজি ঢাকার অধিনায়ক ছিলেন খোদ জাতীয় দলের অধিনায়ক রিয়াদ

। বিপিএলের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পেয়েছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। অর্থাৎ জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় বেশ ভালোভাবেই রয়েছেন এ ব্যাটসম্যান। অথচ দেশের এ্ ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারকে পুরো বিপিএল জুড়ে সাইড বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। প্লে অফের আগে মাত্র একটি ম্যাচে পারভেজকে মাঠে নামার সুযোগ করে দিয়েছিল কুমিল্লা। এছাড়া জাতীয় দলে ফিরতে মরিয়া সাব্বির রহমানকেও যথেষ্ট সুযোগ দেয়নি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

টুর্নামেন্টের মধ্যভাগ থেকেই সাব্বিরকে মূল একাদশ এর বাইরে রেখেছে চট্টগ্রাম ম্যানেজমেন্ট। এছাড়াও জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ ফিনিশার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শামীম হোসেনকেও পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়নি চট্টগ্রাম। শামীমকে সংবাদমাধ্যমে বলতে শোনা গিয়েছে যে তিনি এবারের বিপিএলে কখনোই একটি নিয়মিত ব্যাটিং পজিশন পাননি। এমনকি যে ম্যাচে তিনি ফিফটি করেছেন তারপরের ম্যাচেও তাকে ভিন্ন পজিশনে নামিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। অর্থাৎ তরুণদের সহযোগিতা করার পরিবর্তে তাদের জন্য ব্যাপারগুলো আরো জটিল করে ফেলছে বিপিএল।

তাইতো আজ আফগানদের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে ব্যাটিং অর্ডারের এ নাজেহাল অবস্থা। বারবার প্রশ্ন করা হয় ব্যাটসম্যানরা কেনো স্ট্রাইক রোটেট করতে পারেন না কিংবা কেনো বাউন্ডারি মারতে পারেন না। এক্ষেত্রে পুরো দায় কি খেলোয়াড়দের দেওয়া যাবে? খেলোয়াড়রা যদি নিয়মিত খেলার সুযোগই না পান তাহলে এ পর্যায়ের ক্রিকেটে টিকে থাকা নির্দ্বিধায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলোর অবশ্যই ব্যাবসায়িক দিক এবং দলের সাফল্যকে আগে দেখতে হবে। তবে জাতীয় স্বার্থের কথা চিন্তা করে হলেও দেশের ভবিষ্যৎ ক্রিকেটারদের যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া ফ্র্যাঞ্চাইজিদের দায়িত্ব।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ

অস্ট্রেলিয়া বনাম তুরস্ক ম্যাচ রেজাল্ট: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শেষ ম্যাচ, জানুন ফলাফল

অস্ট্রেলিয়া বনাম তুরস্ক ম্যাচ রেজাল্ট: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শেষ ম্যাচ, জানুন ফলাফল

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম বড় অঘটনের জন্ম দিল অস্ট্রেলিয়া। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ফেভারিট তুরস্ককে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ঐতিহাসিক... বিস্তারিত