ঢাকা, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সিরিজ জিতলেও তিন ম্যাচেই হতাশ করেছেন টাইগাররা

২০২২ ফেব্রুয়ারি ২৮ ১৯:৪৬:২১

সিরিজ জিতলেও তিন ম্যাচেই হতাশ করেছেন টাইগাররা

প্রস্তুতিপর্বে স্কটল্যান্ড এর মতো দলের বিপক্ষে ও হারতে হয়েছে টাইগারদের। পরবর্তীতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ। এরপর অবশ্য নিউজিল্যান্ডে একটি টেস্ট জিতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিল টিম টাইগার্স।

তবে আফগানদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে আবারো সমর্থকদের হতাশ করেছেন বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতলেও ঠিক নিজেদের ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলতে পারেনি টিম টাইগার্স। বলা হয়ে থাকে ওয়ানডে বাংলাদেশের প্রিয় ফরমেট। এবং টাইগাররা ওয়ানডে খেলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, কিন্তু মাঠে এমন কিছু তো দেখা যায়নি। আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচতো নিশ্চিত হারের মুখ থেকে কোনো ভাবে বের হয়ে এসেছিল টাইগাররা। প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ভালো খেলেনি, ভালো খেলেছে আফিফ এবং মিরাজ।

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অবশ্য প্রথমে ব্যাট করে বেশ বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের কন্ডিশনে ৩০৭ রান পাহাড় সমান লক্ষ্য। তবে সে লক্ষ্যটি আরো অনেক বড় হতে পারতো, এ ম্যাচে ফিনিশিংয়ে চরম রকমের ব্যর্থ হয়েছে টাইগাররা।৩৫ ওভার শেষে ১৯৫ রানে ২ উইকেট ছিল বাংলাদেশের স্কোর। সেখান থেকে যেকোনো বড়দল ৩৫০ রান অনায়াসেই করবে।

এ অবস্থান থেকে কোনভাবেই ৩৩০ এর নিচে স্কোর চিন্তা করা যৌক্তিক নয়। তবে ৫০ ওভার শেষে টাইগারদের স্কোর ছিল ৩০৭। পরপর দুই বলে লিটন-মুশফিক আউট হয়ে যাওয়াতে ক্রিজে নতুন দুই ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ এবং আফিফ আসে। ফলে রানের গতিতে কিছুটা ভাটা পড়বে তাই স্বাভাবিক তবে তাই বলে শেষ চার ওভারে মাত্র ২২ রান কিভাবে হয়। এ পরিস্থিতিতে আফিফের ১২ বলে ১৩ এবং মাহমুদুল্লাহ মতো সিনিয়র একজন ক্রিকেটারের নয় বলে ছয় রান খুবই দৃষ্টিকটু লেগেছে। প্রথম এবং তৃতীয় ওয়ানডের তুলনায় অবশ্য দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বেশ ভাল খেলেছে টাইগাররা।

তৃতীয় ওয়ানডের হিসেবে যদি আসা হয় তাহলে আর খুব বেশি কিছু বলার থাকেনা। কি বোলিং কি ব্যাটিং কোন কিছুতেই আফগানিস্তানের মতো একটি দলের সাথেও ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি টাইগাররা। অথচ নিজেদের দেশের মাটিতে অনায়াসেই আফগানদের হোয়াইটওয়াশ করবে বলে আশাবাদী ছিল বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাট করে পুরো ৫০ ওভারও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪৬.৫ ওভারে ১৯২ রানে অলআউট হয়ে যায় টিম টাইগার্স। ১৯৩ রানের লক্ষ্য ৭ উইকেট এবং ৫৯ বল হাতে রেখেই টপকে যায় আফগানিস্তান। অর্থাৎ এখানে উইকেটের দোষ দিয়ে কোনো লাভ নেই, আফগানদের ব্যাটিং দেখলেই বোঝা যাবে যে তারা বিন্দুমাত্র দ্বিধাগ্রস্ত ছিলনা। বেশ সাবলীলভাবেই লক্ষটি তাড়া করে জিতেছে আফগানরা। এখানে প্রশ্ন আসতেই পারে আমরা বাংলাদেশকে ঠিক যতটা ভালো দল মনে করি টাইগাররা কি এখনো ওই কাতারে যেতে পেরেছে?

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ

অস্ট্রেলিয়া বনাম তুরস্ক ম্যাচ রেজাল্ট: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শেষ ম্যাচ, জানুন ফলাফল

অস্ট্রেলিয়া বনাম তুরস্ক ম্যাচ রেজাল্ট: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শেষ ম্যাচ, জানুন ফলাফল

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম বড় অঘটনের জন্ম দিল অস্ট্রেলিয়া। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ফেভারিট তুরস্ককে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ঐতিহাসিক... বিস্তারিত