ঢাকা, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

পেঁয়াজের বাজারে বড় ধস: অর্ধেকে নেমে গেল দাম, দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ০৮:০৮:১৩

পেঁয়াজের বাজারে বড় ধস: অর্ধেকে নেমে গেল দাম, দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটে পেঁয়াজের দামে নেমে এসেছে ব্যাপক পতন। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি মণ পেঁয়াজের দাম একেবারে অর্ধেকে নেমে আসায় কৃষকেরা পড়েছেন চরম লোকসানে।

গত মঙ্গলবার যেখানে মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম ছিল ১,৮০০–২,000 টাকা, আজ সেই একই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১,০০০–১,২০০ টাকা মণ দরে। ছোট আকারের পেঁয়াজ তো আরও কম—মণপ্রতি ৬০০–৮০০ টাকা।

দাম কমার কারণ কী?উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় কৃষকদের তথ্য অনুযায়ী:

মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল মণপ্রতি ৩,৫০০ টাকারও বেশি দামে।

সময়ের সাথে দাম নেমে আসে ১,৩০০–১,৪০০ টাকায়।

পরে আবার দাম বেড়ে পৌঁছায় ১,৮০০–২,০০০ টাকায়।

আর এখন মাত্র ৪ দিনে নেমে এসেছে অর্ধেকে।

মূল কারণগুলো:

মাঠে প্রচুর মুড়িকাটা পেঁয়াজ এখন তুলতে হচ্ছে— সরবরাহ বেড়েছে।

রমজানের শুরুতে পেঁয়াজের চাহিদা কম থাকে।

৮–১০ দিনের মধ্যে বাজারে উঠছে নতুন হালি পেঁয়াজ — এতে দামের ওপর আরও চাপ পড়েছে।

কৃষকদের লোকসানসাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকেরা জানিয়েছেন—এক মণ পেঁয়াজ উৎপাদনেই খরচ হয়েছে প্রায় ১,৬০০ টাকা।

আগে প্রতি মণে লাভ ছিল ২০০–৩০০ টাকা। এখন প্রতি মণে লোকসান ৫০০–৬০০ টাকা পর্যন্ত।

অনেকেই বাধ্য হয়ে লোকসানে বিক্রি করছেন। কেউ কেউ হতাশ হয়ে মাঠ থেকে পেঁয়াজ তোলা বন্ধ করে দিয়েছেন।

এক কৃষকের কথায়—“ধারদেনা করে চাষ করেছি। এখন বিক্রি করে খরচই উঠছে না।”

হাটের পরিস্থিতিকরমজা চতুরহাটে গিয়ে দেখা যায়—

মুড়িকাটা পেঁয়াজ: ১,০০০–১,২০০ টাকা/মণ

ছোট পেঁয়াজ: ৬০০–৮০০ টাকা/মণ

আড়তদাররা বলছেন—মাঠে পেঁয়াজ পরিপক্ব হয়ে যাওয়ায় সবাই দ্রুত তুলছে। কিন্তু এতো সরবরাহের তুলনায় বাজারে ক্রেতা কম। তাই দাম পড়ে গেছে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

সারাদেশ এর অন্যান্য সংবাদ