ঢাকা, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আন্দোলনে যেতে চাওয়ায় মেয়েকে যে কথা বলেছিলেন মাশরাফি; যা শুনে সবাই অবাক

২০২৪ আগস্ট ১৫ ১২:৪৩:২৭

আন্দোলনে যেতে চাওয়ায় মেয়েকে যে কথা বলেছিলেন মাশরাফি; যা শুনে সবাই অবাক

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দেশের অধিকাংশ তারকা উপস্থিত থাকলেও মাশরাফির ভূমিকা ছিল নীরব। যা নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনীত সংসদ সদস্য হওয়ায় ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা বলতে পারেননি বলে দাবি করেন মাশরাফি। নিজে আন্দোলনে যেতে না পারলেও তবে তিনি তার মেয়েকে আনন্দে যোগ দিতে উত্সাহিত করেছিলেন।

মাশরাফির বড় মেয়ে হুমায়রা স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী। মাশরাফি হুমায়রাকে এই বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে বলেন কারণ এই আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল ছাত্ররা। মাশরাফি বলেন, হুমাইরা আন্দোলনের পক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক স্ট্যাটাসও দিয়েছেন।

দেশের একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আজ তিনি বলেন, 'আমার মেয়ে হুমায়রা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে। আমার সেখানে অ্যাকাউন্ট থাকলেও সেভাবে দেখতাম না, ওকেও ফলো করতাম না। আমাকে আমার এক ছোট ভাই জানাল যে, হুমায়রা ইনস্টাগ্রামে অনেক কিছু দিচ্ছে বা শেয়ার করছে। ১৭ জুলাই থেকেই দিচ্ছে।'

'আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম। ও বলল, ‘হ্যাঁ, আমি এসব দিচ্ছি। তোমার কি আপত্তি আছে?’ আমি বললাম, ‘না, আমার সমস্যা নেই।’ আমি বরং ওকে এটাও বলেছি, ‘তোমার স্কুল থেকে বা বন্ধুরা আন্দোলনে গেলে তুমিও সঙ্গে থেকো।’ আমার পদের জন্য বা চেয়ারের জন্য তাকে বাধা পেতে হবে, এটা কখনও চাইনি।'-যোগ করেন তিনি।

এদিকে এই আন্দোলনের পক্ষে কথা বলতে না পারায় পরিবারের সদস্যদের কাছেও নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে মাশরাফিকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'শুধু আমি নই, আমার মনে হয়, এই আন্দোলন নিয়ে যা কিছু লিখতে বা করতে পারেনি, তাদের সবাইকেই এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে নিজের পরিবার, বন্ধু-বান্ধব বা ঘনিষ্ঠজনদের কাছে।'

'স্ত্রী-সন্তানদের কাছেও জবাবদিহিতা করতে হয়েছে, কেন কিছু লিখতে পারিনি। শুধু পরিবার নয়, বন্ধু-বান্ধব, আশেপাশের সবাই জিজ্ঞেস করেছে। আমি আমার অবস্থান বলেছি। কেউ একমত হয়েছে, কেউ হয়নি। তবে মেয়ের কাছে অন্তত এটুকু জায়গা আমার আছে যে, বাবা তাকে আটকায়নি।'-যোগ করেন তিনি।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ