ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

বোলিংয়ে ৬০ সেকেন্ড পার হলেই জরিমানা, কঠোর আইন করলো আইসিসি

২০২৪ মার্চ ১৫ ১৪:৩৩:৪২

বোলিংয়ে ৬০ সেকেন্ড পার হলেই জরিমানা, কঠোর আইন করলো আইসিসি

ক্রিকেটে ‘স্টপ ক্লক’ আইনের আপাতত ট্রায়াল চলছে। গত বছর, ওডিআই বিশ্বকাপের ঠিক পরে আইসিসি ঘোষণা করেছিল যে স্টপওয়াচ সিস্টেমটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ট্রায়ালের ভিত্তিতে কাজ করবে। নতুনভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নির্ধারিত নিয়মটি বাস্তবায়িত হওয়ার সাথে সাথে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্থায়ী করা হবে।

টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে-র পাশাপাশি সাদা বলের ক্রিকেটেও এই নিয়ম চালু হবে বলে জানা গিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খেলা শেষ করতে হবে। ভারতীয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের মতে, আইসিসি এখন এই নতুন নিয়মটিকে স্থায়ী করতে চায় কারণ এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়ার পর ভাল ফলাফল অর্জন করেছে। দুবাইয়ে সংগঠনের চলমান সভায় এই নিয়ম অনুমোদন করা হয়।

এই নিয়মটি ক্রিকেটের সাধারণ শর্তাবলীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ওডিআই এবং টি-টোয়েন্টি খেলার শর্ত অনুসারে, এই নিয়মটি আইসিসির ৪১.৯.৪ উপ-অনুচ্ছেদের ৪১.৯ অনুচ্ছেদে যোগ করা হবে। যেখানে মাঠের দল আসলে সময় নষ্ট করার জন্য শাস্তি পায়।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাটসম্যানদের পিচে বল খেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়, নইলে ‘টাইমড আউটে’ কাঁটা পড়বেন তারা। সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন আউটের নজির দেখা গিয়েছিল। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের ওই আউট নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। আইসিসি একই ধরনের নিয়ম এনেছে বোলারদের জন্যও।

স্টপ ক্লকের প্রাথমিক নিয়ম অনুযায়ী— বোলাররা প্রতি ওভারের মাঝে সর্বোচ্চ ৬০ সেকেন্ডের বিরতি দিতে পারবেন। এক ইনিংসে যদি তিনবার এর চেয়ে বেশি সময় দেরি করা হয়, তাহলে ফিল্ডিংরত দলকে ৫ রান পেনাল্টি করা হবে। ওই ৫ রান যোগ হবে ব্যাটসম্যানদের দলে। ম্যাচ ভেন্যুতে প্রদর্শনীয় একটি স্থানে একটি ইলেকট্রনিক ঘড়ি থাকবে, যেখানে প্রতি ওভারের মাঝে ৬০ থেকে ক্রমান্বয়ে শূন্য পর্যন্ত সেকেন্ড গণনা করবে।

গত ডিসেম্বর থেকে এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। আর বিষয়টি পরীক্ষার জন্য প্রতি ওভারের মাঝে ঘড়িতে সময় দেখা হবে। আর সেজন্য এটিকে নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্টপ ক্লক’ পদ্ধতি। সে অনুসারে- বোলিংকারী দলকে পরের ওভার শুরু করতে হবে পরবর্তী ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে। এর ভেতর ওই দল বল করতে প্রস্তুত না থাকলে, আম্পায়াররা তাদের সতর্ক করবেন। এভাবে নির্ধারিত এই সময়টা তিনবার অতিক্রম করে গেলে তাদের জরিমানা হিসেবে দিতে হবে ৫ রান।

একইসঙ্গে সুনির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ওই ঘড়ি বন্ধ থাকবে–

# নতুন ওভারের মাঝে যখন কোনো নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে আসবেন# যখন আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচের মাঝে ড্রিংকস বিরতি চলবে# কোনো ব্যাটসম্যান কিংবা ফিল্ডারের ইনজুরির কারণে মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার সময়ে# ফিল্ডিংরত দলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেকোনো কারণে সময় নষ্ট হলে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ