ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩

যাওয়ার আগে বিপিএলের কড়া সমালোচনা করলেন বাবর আজম!

২০২৪ ফেব্রুয়ারি ০৫ ২২:২৭:১২

যাওয়ার আগে বিপিএলের কড়া সমালোচনা করলেন বাবর আজম!

ইতিমধ্যেই গুঞ্জন উঠেছে বাবর আজম ঢাকা ছাড়ছেন। সংবাদমাধ্যমেও এই বিষয়টি নিয়ে শিরোনাম হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিপক্ষে খেলার পর নিজ দেশ পাকিস্তানে পিএসএল খেলতে দেশে ফিরবেন বাবর।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ফাইনাল ম্যাচ খেলবেন এ যুগের শীর্ষ তারকা। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বসুন্ধরা কমপ্লেক্সে রংপুর রাইডার্সের প্রশিক্ষণে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বাবর এ বিষয়ে একটি কথাও বলেননি।

২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো বিপিএল খেলতে এসেছিলেন বাবর। সাত বছর পর, এই দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান ক্রিকেটর এই তারকা বিপিএল খেলছেন। তিনি এমনিতেই খুব হাত খুলে খেলেন না। এলোমেলো ব্যাট ছোঁড়াছোড়ি করেন না। উচ্চাভিলাষী ও বানিয়ে খেলার প্রবণতাও খুব কম। এককথায় বিগ হিটার তিনি নন। বলের মেধা গুণ বিচার করে ঠান্ডা মাথায় খেলাই তার স্বভাব।

বাবরের হাতে ক্রিকেট ব্যাকরণের প্রায় সব শটই আছে। ড্রাইভ, কাট, পুল, ফ্লিক খেলায় সিদ্ধহস্ত। না হলেও রানের চাকা সচল রাখার কাজটি খুব ভালো পারেন। এসব শটেই নিয়মিত রান করে ক্রিকেট বিশ্বে নিজেকে অনেক বড় উইলোবাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাবর।

আজ অনুশীলেন ফাঁকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজের পারফরমেন্স, দল রংপুর রাইডার্স, সাকিব আল হাসান ও অধিনায়ক সোহান এবং বাংলাদেশের উকেট নিয়ে কথা বলেছেন বাবর।

ঢাকা ও সিলেটের স্লো, লো ও খানিক টার্নিং পিচে বাবরের ব্যাট সেভাবে হাসেনি। তারপরও রংপুর ফ্র্যাঞ্চাইজি, ম্যানেজমেন্টকে হতাশ করেননি এ পাকিস্তানি। এখনও পর্যন্ত রান তোলায় রংপুরের এই ব্যাটারের স্থান দ্বিতীয়। এই পাকিস্তানি রিক্রুট ৫ ম্যাচে ২ হাফ-সেঞ্চুরিতে রান করেছেন ২০৪। তার সর্বোচ্চ ইনিংসটি ৬২ রানের। গড় ৫১.০০, স্ট্রাইকরেট ১১৫.৯০।

পাকিস্তানে যাওয়ার আগে টুর্নামেন্টের বাকি অংশের জন্য দলকে শুভকামনা জানিয়েছেন বাবর, ‘রংপুরের হয়ে সামনেও খেলতে চাই আমি। তবে বিভিন্ন সময় আমাদের অনেক আন্তর্জাতিক খেলা থাকে। যে কারণে এখানে ধারাবাহিকভাবে আসা হয় না। এই সময় অনেক আন্তর্জাতিক সিরিজ হয়। না হলে আমি পরের বছরও খেলার ব্যাপারে আগ্রহী।’

বিপিএলে যে উইকেটে খেলা হচ্ছে, তাতে মোটেই সন্তুষ্ট নন বিশ্ব ক্রিকেটের এ বড় তারকা। উইকেটের মান উন্নয়নের জোর তাগিদ তার কন্ঠে, ‘উইকেট দিনে এক রকম, আবার রাতে অন্যরকম আচরণ করে। ধারাবাহিকভাবে বাউন্স পাওয়া যায় না আবার সবসময় স্পিনও হয় না, মাঝে মাঝে স্লো এবং নিচু হয়। আমার মনে হয় উইকেটের দিক থেকে বিপিএলের মান আরও বাড়াতে হবে।’

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ