ঢাকা, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

বিরাট-গম্ভীরদের নিষিদ্ধ করার দাবি তুললেন ভারতীয় প্রাক্তন

২০২৩ মে ০৫ ১৮:০০:৪৪

বিরাট-গম্ভীরদের নিষিদ্ধ করার দাবি তুললেন ভারতীয় প্রাক্তন

আইপিএলের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, প্লেয়াররা খেলার প্রতি এতটাই আবেগ দিয়ে ফেলেন যে তারা মাঠের মধ্যেই ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। ঠিক এবছরেও দেখা গেল একই দৃশ্য। মাঠের মধ্যে তুমুল ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন বিরাট কোহলি এবং গৌতম গম্ভীর। এবছর আইপিএলের ৪৩ তম ম্যাচ শেষে দলের তারকা ক্রিকেটার বিরাট কোহলি এবং লখনউ সুপার জায়ান্টসের পরামর্শদাতা গৌতম গম্ভীরের মধ্যে একটি সমস্যার সৃষ্টি হয়।

নবীন উল হকের সঙ্গে ম্যাচের মধ্যে চলতে থাকা বিরাট কোহলির বিবাদ খেলা শেষেও চলতে থাকে। এমনকি আচরণবিধি ভঙ্গের অপরাধে কোহলি-গম্ভীরের ১০০ শতাংশ ম্যাচ-ফি কেটে নিয়েছে বিসিসিআই। তবে দুজনের এই ব্যবহারে একেবারেই খুশি নন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার বীরেন্দ্র সেহবাগ।

সেহবাগ কোহলি-গম্ভীর দ্বন্দ্ব নিয়ে মন্তব্য করে বলেছেন, “ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেই আমি টিভি চালিয়ে ছিলাম। আমার কোনও ধারণাই ছিল না যে, ম্যাচের পর কী হয়েছে। তবে পরের দিন সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখি ওই বিষয় নিয়ে হইচই পরে গিয়েছে। তবে আমার মতে যা হয়েছে তা ঠিক হয়নি। পরাজিত দলের উঠিত হার মেনে নিয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে আসা আর জয়ী দল তো সেলিব্রেট করবে। বিরাট কোহলি, গৌতম গম্ভীর এরা দেশের আইকন। ওনাদের অনেকেই তাদের ফলো করেন, এমনকি তাদের অনেক শিশু ভক্তও রয়েছে।

তাহলে ওরা ভাববে যে, আমার আইকন যখন এমন করেছে, আমিও তাহলে এমনটা করব। কি ধরণের আচরণ করা উচিত সেই সম্মন্ধে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। বিসিসিআই ঠিক করবে, কাকে ব্যান করবে, তাহলে এরকম ঘটনা বিরল হয়ে যাবে বা হবে না।“ঠে গালিগালাচ করা নিয়ে মন্তব্য করে বিরু বলেছেন, “এরকম ঘটনা অতীতে অনেকবার ঘটেছে। এগুলো টিভির সামনে মানে মাঠের মধ্যে না হয়ে অন্দরমহলে হওয়া উচিত। মাঠে এসব মানায় না। আমার সন্তানরা ঠোঁট পড়তে পারে, মাঠে কি ভাষা বলছে সেটা ওরাও বুঝতে পারে। আজকাল সবাই জানে ‘বেন স্টোকস’ জাতীয় শব্দটির মানে। কালকে হয়তো ওরা বলবে, গম্ভীর-কোহলি যখন বলেছে,

আমরাও বলতে পারি।” যদিও বিরাট-কোহলির দ্বন্দ্ব এই প্রথম নয়, অতীতে গম্ভীর যখন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক ছিলেন, তখনও বিরাটের সঙ্গে তাঁর মাঠে ভয়ংকর বিবাদ হয়েছিল।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ