ঢাকা, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

অবিশ্বাস্য এক ঘটনা: ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ঘটলো এমন ঘটনা

২০২৩ এপ্রিল ০৫ ১৪:২৭:৪৭

অবিশ্বাস্য এক ঘটনা: ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ঘটলো এমন ঘটনা

ক্রিকেট বিশ্বে ইতিহাস তৈরি হলে আম্প্রতিক শ্রীলঙ্কা বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে। নতুন ইতিহাস তৈরি করলেন নিউজিল্যান্ডের কিম কটন। ক্রিকেট মাঠে এই প্রথমবার আইসিসির দুটি পূর্ণ সদস্য তথা দুটি টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক ম্যাচে অনফিল্ড আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করলেন কোনও নারী আম্পায়ার।

আজ ০৫ এপ্রিল বুধবার ডানিডনের ইউনিভার্সিটি ওভালে নিউজিল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে স্বদেশীয় ওয়েন নাইটসের সঙ্গে অনফিল্ড আম্পায়ারিং করেন ৪৮ বছরের কিম। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে তাঁর হাতে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে ক্রিকেট বিশ্বের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

গত ২০১৮ সাল থেকে তিনটি মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং একটি ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে আম্পায়ার থেকেছেন কিম। শুধু তাই নয়, ২০২০ সালের মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২২ সালের ৫০ ওভারে ক্রিকেট বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ সালের সালের মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে আম্পায়ারিং করেছেন। অর্থাৎ পরপর দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে কিমের উপর ভরসা রেখেছে আইসিসি।

সার্বিকভাবে ২০১৮ সাল থেকে ৫৪ টি আন্তর্জাতিক মহিলা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ এবং ২৪ টি আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন কিম। কোনও ম্যাচে অনফিল্ড আম্পায়ার থেকেছেন। কোনও ম্যাচে আবার তৃতীয় আম্পায়ার বা টিভি আম্পায়ারের দায়িত্ব পেয়েছেন। তারইমধ্যে পুরুষদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর অভিষেক হয়েছিল ২০২০ সালে। সেই বছর হ্যামিলটনে ভারত-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছিলেন। তবে অনফিল্ড আম্পায়ার ছিলেন না। টিভি আম্পায়ারের দায়িত্ব পেয়েছিলেন কিম।

আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করে ১৯ ওভারে ১৪১ রানে অল-আউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। অথচ একটা সময় চার উইকেটে ১২২ রান ছিল দ্বীপরাষ্ট্রের। সেখান থেকে ধস নামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। গুটিয়ে যায় ১৪১ রানে। সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ধনঞ্জয় ডি'সিলভা। ৩৫ রান করেন কুশল পেরেরা। চার ওভারে পাঁচ উইকেটে ২৬ রান নেন অ্যাডাম মিলনে।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসে সেই ধসের কারণে কিউয়িরা যে ছন্দ পেয়ে যান, তাতে ভর করেই লঙ্কা-বাহিনীকে গুঁড়িয়ে দেয়। ৩২ বল বাকি থাকতেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেন কিউয়িরা। জয় আসে নয় উইকেটে। ৪৩ বলে অপরাজিত ৭৯ রান করেন টিম সেফার্ট। ম্যাচের সেরা হয়েছেন মিলনে।

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ