ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

আসল রহস্য ফাঁসঃ জানা গেল হারিস রউফের জোরে বল করার মুল কারন

২০২৩ জানুয়ারি ১৭ ২১:৫৮:৩৩

আসল রহস্য ফাঁসঃ জানা গেল হারিস রউফের জোরে বল করার মুল কারন

রংপুর রাইডার্সের হয়ে আজ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছেন পাকিস্তানি গতিতারকা। কিন্তু প্রথম দিন বল হাতে তেমন কিছু করতে পারেননি। ৪ ওভারে ১৯ রানে উইকেটশূন্য বেলুচিস্তানের এ ২৯ বছর বয়সী পেসার। তার দলও জেতেনি। ৯ উইকেটে হেরেছে খুলনা টাইগার্সের কাছে।

প্রথম দিন বল হাতে নিজেকে মেলে ধরতে না পারার কোনো অজুহাত দাঁড় করাননি। বরং খুলনা টাইগার্সের অভিজ্ঞ ওপেনার তামিম ইকবালের প্রশংসা করেছেন হারিস রউফ।

রউফ বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন উইকেট স্লো ছিল। লো স্কোরিং ম্যাচ হয়েছে। এক জুটিতে ম্যাচ বের করে নিয়েছে আমাদের প্রতিপক্ষ খুলনা। তামিমকে কৃতিত্ব দিতে হয়। ভালো ব্যাটিং করেছেন তিনি।’

তিনি বর্তমান সময়ের অন্যতম জোরে বল করা ফাস্টবোলার। জোরে বল করতে গেলে করণীয় কি কি? তরুণ ফাস্টবোলারদের জন্য কোনো পরামর্শ?

হারিস রউফের উত্তর, ‘জোরে বল করার কথা আমার মাথায় থাকে না। আমি ভালো লাইন-লেন্থে বোলিংয়ের চিন্তা করি। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। উইকেট যদি স্লো ডেলিভারির জন্য ভালো হয়, তাহলে স্লো করা খারাপ কী! উইকেট যদি গুড লেন্থ ডিমান্ড করে তাহলে গুড হার্ড লেন্থ কেন নয়?’

নিজের বোলিংয়ের কথা বলতে গিয়ে এ পাকিস্তানি বলে ওঠেন, ‘আমার মাথায় হার্ড লেন্থে বোলিংয়ের চিন্তা থাকে। এটি গুরুত্বপূর্ণ। গতি নয়। দেখুন, গতি সবসময় সহজাত।’

জোরে বল করার ক্ষেত্রে ট্রেনিং ও ডায়েট খুব গুরুত্বপূর্ণ, মন্তব্য হারিস রউফের। পাশাপাশি ম্যাচ খেলার পরের রিকভারিটাও খুব দরকার। পেস বাড়াতে হলে কী করা উচিত?

এ প্রশ্নে জবাবে হারিস রউফ বলেন, ‘আপনি যদি ১৩০-১৩৫ কিলোমিটার/ঘণ্টাতে বোলিং করেন, তাহলে আরও ৫ কিমি. বাড়াতে পারবেন। এমন না যে ৬-৮ মাসের ট্রেনিংয়ের পর আপনি ১৩০-১৩৫ থেকে ১৫০ কিমি. বোলিং করতে পারবেন। এটি মূলত ৫ থেকে ১০ কিমি. বাড়ানোর বিষয়। ডায়েট ও ট্রেনিং খুব গুরুত্বপূর্ণ।‘

কিন্তু জোরে বল করতে অনেক শক্তি প্রয়োজন। আপনি ডায়েটের কথা বললেন, আপনি কী খান আসলে? ‘আমার ইন্টারভিউ দেখলে পাবেন (হাসি)। আমি ডিম খাই। ডিম থেকে মূলত প্রোটিনটা নেই। ফাস্ট বোলারের জন্য প্রোটিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার শরীরে পরিমিত প্রোটিন থাকলে আপনি মাঠে ভালো পারফর্ম করবেন।’

গতির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণের সমন্বয় ঘটিয়েছেন কিভাবে? হারিস রউফ জানালেন, ‘নেট বোলিংটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্র্যাকটিসেই আসলে নিজেকে ঘষে মেজে তৈরি করতে হয়। নেটে বোলিংয়ের সময় নিজের ওপর একটা চাপ তৈরি করে নিতে হয়। এটি প্রয়োজন। অনুশীলনে ঠিকঠাক করে ফেলতে পারলে মাঠে তা করা সহজ হয়। দিনের পর দিন করতে থাকলে উন্নতি হয়। আমারও ধীরে ধীরে আগের চেয়ে ভালো হয়েছে।’

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ