ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩

দেশে না পারলেও বিদেশের মাটিতে সফল খালেদ

২০২২ জুন ২৭ ১০:০৯:৪৭

দেশে না পারলেও বিদেশের মাটিতে সফল খালেদ

চলতি বছরের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ডারবান টেস্টে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী এ ডানহাতি পেসার। সেদিন অল্পের জন্য না পেলেও, মাস তিনেকের মধ্যে মাইলফলকটি ছুঁয়ে ফেললেন খালেদ। বাংলাদেশের ষষ্ঠ পেসার হিসেবে টেস্টে ফাইফার নিলেন তিনি।

চার বছর ও নয় টেস্টের ক্যারিয়ারে দেশের চেয়ে দেশের বাইরেই বেশি সফল খালেদ। সেই বেশির মাত্রাও কম নয়। অঙ্কের হিসেবে দেশের চেয়ে দেশের বাইরে খালেদের পরিসংখ্যান প্রায় দশগুণ ভালো। সামনে থেকে দেশের চেয়ে দেশের বাইরেই হয়তো বেশি খেলতে চাইবেন খালেদ।

দেশে যেখানে চার টেস্টের ছয় ইনিংসে খালেদের শিকার মাত্র এক উইকেট। অন্যদিকে বিদেশের মাটিতে পাঁচ টেস্টের আট ইনিংসে খালেদ নিয়েছেন ১৮টি উইকেট। দেশে এই উইকেটের জন্য খালেদের খরচ ৩৩০ রান। অর্থাৎ দেশের মাটিতে ৩৩০ তার বোলিং গড়।

অন্যদিকে বিদেশের মাটিতে ১৮ উইকেটের প্রতিটির পেছনে খালেদের খরচ ৩৩.৫৫ রান। এছাড়া দেশে ৫৬১ বল করে এক উইকেট পাওয়ায় তার স্ট্রাইকরেট ৫৬১-ই। কিন্তু বিদেশের মাটিতে ১৮ উইকেট নেওয়ার পথে প্রতি ৫৬.১ ডেলিভারিতে একবার করে সাফল্য পেয়েছেন খালেদ।

ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত এ পেসার, ‘আলহামদুলিল্লাহ্ খুবই ভালো লাগছে। অনেকদিন পর পাঁচ উইকেট পেলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছিলাম পাঁচ উইকেট কীভাবে নেওয়া যায়। এটা ধরে রাখার চেষ্টা করবো।’

পাঁচ উইকেট নেওয়ার পথে ক্যারিবীয়দের সেঞ্চুরিয়ান কাইল মায়ার্সকেও আউট করেছেন খালেদ। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিকে দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে নিয়ে যাওয়ার আশায় আক্রমণাত্মকই খেলছিলেন মায়ার্স। তখনই বুদ্ধিদীপ্ত এক স্লোয়ারে মায়ার্সকে সাজঘরে পাঠান খালেদ।

তাই মায়ার্সের উইকেটে বাড়তি তৃপ্তির কথা জানিয়ে খালেদ আরও বলেন, ‘প্রত্যেকটা উইকেটই আমার জন্য বিশেষ কিছু।। যেহেতু প্রথমবার পাঁচ উইকেট পেয়েছি। বিশেষ করে মায়ার্সের উইকেটটা ছিল অনেক কষ্ট করার ফল। চেষ্টা ছিল ওকে আউট করার। ওকে স্লোয়ার বল দিয়ে পরাস্ত করেছি। এটা নিজের কাছে ভালো লেগেছে যে ওকে প্ল্যান করে আউট করতে পেরেছি।’

পাঠকের মতামত:

সর্বোচ্চ পঠিত

ক্রিকেট এর অন্যান্য সংবাদ